tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসারাদেশস্বামীকে হত্যা করে পালালেন টিকটকার আঁখি

স্বামীকে হত্যা করে পালালেন টিকটকার আঁখি

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে এক টমটমচালকের গলাকাটা অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের স্ত্রী আঁখি, যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকটকার হিসেবে পরিচিত, ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পূর্ব মেরোংলোয়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত যুবকের নাম বেলাল উদ্দিন জিহাদ ওরফে বাদল (২৫)। তিনি রামু উপজেলার পূর্ব রাজারকুল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে ওই ভাড়া বাসা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে থাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেতর থেকে বন্ধ থাকা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় ঘরের বিছানার ওপর বাদলের গলাকাটা অর্ধগলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

মরদেহের অবস্থা দেখে পুলিশের ধারণা, অন্তত তিন দিন আগে তাকে শ্বাসরোধ করে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের অমতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত টিকটকার আঁখিকে বিয়ে করেন বাদল। এ বিয়ে পরিবারের সদস্যরা মেনে না নেওয়ায় স্বামী-স্ত্রী আলাদা ভাড়া বাসা নিয়ে বসবাস শুরু করেন।

রাজারকুল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য স্বপন বড়ুয়া জানান, নিহত বাদলের স্ত্রী আঁখি আগে বিবাহিত ছিলেন। এ কারণে পরিবার থেকে আপত্তি ছিল। কিছুদিন আগে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের ঘটনাও ঘটে। পরে স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়া হয়েছিল।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের জেরে আঁখি পরিকল্পিতভাবে বাদলকে হত্যা করেছেন। হত্যার পর ঘরে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে তিনি পালিয়ে যান। গত তিন দিন ধরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না এবং তার মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।

রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফরিদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।