tanaka

সিরিয়ায় সেনাবাহিনীর অস্ত্রগুদামে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, আহত ৪

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি অস্ত্রগুদামে শক্তিশালী বিস্ফোরণে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে আলেপ্পো শহরের দক্ষিণে আল-ঈস এলাকার কাছে সিরীয় সেনাবাহিনীর একটি স্থাপনায়...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিক২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সব ভিজিটর ভিসা ই–ভিসা দেবে যুক্তরাজ্য

২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সব ভিজিটর ভিসা ই–ভিসা দেবে যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যের ভিসা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে দেশটির সরকার। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সব ভিজিটর ভিসা সম্পূর্ণ ডিজিটাল বা ‘ই–ভিসা’ আকারে প্রদান করা হবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে Home Office।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব বিদেশি নাগরিকের যুক্তরাজ্যে প্রবেশের জন্য ভিজিটর ভিসা প্রয়োজন হবে, তারা আর পাসপোর্টে ভিসা স্টিকার, বায়োমেট্রিক রেসিডেন্স পারমিট (বিআরপি) বা হাতে দেওয়া ইমিগ্রেশন সিল পাবেন না। ভিসা–সংক্রান্ত সব তথ্য সংরক্ষিত থাকবে UK Visas and Immigration (ইউকেভিআই)-এর অনলাইন অ্যাকাউন্টে।

এই উদ্যোগ যুক্তরাজ্যের বৃহত্তর ‘ডিজিটাল বর্ডার’ কর্মসূচির অংশ। এর আওতায় অভিবাসীদের জন্য প্রচলিত বিআরপি কার্ড বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ভিসামুক্ত দেশগুলোর ভ্রমণকারীদের জন্য চালু করা হচ্ছে Electronic Travel Authorisation (ইটিএ) ব্যবস্থা।

ই–ভিসা চালুর ফলে বিমানসংস্থা, ফেরি ও রেল অপারেটররা তাৎক্ষণিকভাবে যাত্রীর ভিসা অনুমোদন, কাজ বা পড়াশোনার অনুমতি এবং অবস্থানের শর্ত যাচাই করতে পারবে। এ লক্ষ্যে গত এক বছরে পরিবহন সংস্থাগুলো তাদের চেক-ইন সিস্টেম নতুন ‘ক্যারিয়ার চেক এপিআই’-এর সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।

নতুন ব্যবস্থায় ভ্রমণকারীদের পাসপোর্ট অবশ্যই তাদের ইউকেভিআই অনলাইন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে হবে। অন্যথায় বিমান সংস্থাগুলো বোর্ডিং অনুমতি নাও দিতে পারে। এ বিষয়ে বিদ্যমান ভিসাধারীদের এসএমএস ও ইমেইলের মাধ্যমে সতর্কবার্তা পাঠানো শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

বিশেষ করে দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তির ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন অভিবাসন আইনজীবীরা। তারা ভ্রমণের অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে ইউকেভিআই অ্যাকাউন্টে লগইন করে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন।

পরিবর্তনের ফলে ভিসা স্টিকার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ঝুঁকি কমবে। তবে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাড়বে প্রশাসনিক দায়িত্ব। মানবসম্পদ বিভাগকে নিশ্চিত করতে হবে—কর্মীদের ইউকেভিআই অ্যাকাউন্ট সক্রিয় আছে কিনা, পাসপোর্ট তথ্য হালনাগাদ হয়েছে কিনা এবং ‘রাইট টু ওয়ার্ক’ যাচাইয়ের জন্য শেয়ার কোড তৈরি করা যাচ্ছে কিনা।

ইউকেভিআই বলছে, ডিজিটাল ভিসা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং জালিয়াতি কমবে। তবে তথ্য সুরক্ষা–সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কেউ ভুলভাবে বোর্ডিং থেকে বঞ্চিত হলে দ্রুত প্রতিকার পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রথম কয়েক মাস ভ্রমণকারীরা যেন ভিসা অনুমোদনের ইমেইল বা শেয়ার কোডের স্ক্রিনশট সঙ্গে রাখেন, যাতে প্রয়োজনে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে তা দেখানো যায়।

সূত্র: ভিসা এইচকিউ।