tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়সোমালিয়ার সার্বভৌমত্বে বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

সোমালিয়ার সার্বভৌমত্বে বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি পূর্ণ ও অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠকে বাংলাদেশ ইসরাইলের তথাকথিত ‘সোমালিল্যান্ড’ স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানাতে ওআইসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের (সিএফএম) ২২তম জরুরি অধিবেশনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

বক্তব্যে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখা, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য ও সংহতি রক্ষায় বাংলাদেশ ওআইসির সম্মিলিত অবস্থানের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে একাত্ম।

এই জরুরি অধিবেশন ডাকা হয় ইসরাইলের তথাকথিত ‘সোমালিল্যান্ড’কে স্বীকৃতি দেওয়ার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত এবং এর ফলে ফেডারেল রিপাবলিক অব সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা করার জন্য। একই সঙ্গে বিষয়টির আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রভাবও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।

বৈঠকে মো. তৌহিদ হোসেন ওআইসিকে ইসরাইলের এ সিদ্ধান্ত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি ওআইসির পূর্ণ ও অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করার অনুরোধ করেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব কোনোভাবেই আলোচনার বিষয় হতে পারে না। তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, অবৈধ আলোচনা বা উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয় এবং ন্যায়বিচার, আন্তর্জাতিক আইন ও বহুপাক্ষিকতাই একতরফাবাদ ও জবরদস্তির ওপর প্রাধান্য পাবে।

এর আগে একই দিন সকালে ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি অধিবেশনের প্রস্তুতিমূলক সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিপুলসংখ্যক প্রতিনিধি অংশ নেন। বৈঠকে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি অব্যাহত সংহতি পুনর্ব্যক্ত করা হয় এবং ওআইসির কার্যক্রমে ফিলিস্তিনি ইস্যুর গুরুত্ব আবারও তুলে ধরা হয়।