সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুযায়ী, অনলাইনে জুয়া খেলা, জালিয়াতি ও প্রতারণার মতো কর্মকাণ্ডকে এখন থেকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। ডিজিটাল নিরাপত্তা ও নাগরিকদের সুরক্ষার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
নতুন এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী—
- যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে (ইন্টারনেট বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে) জুয়া খেলার উদ্দেশ্যে কোনো পোর্টাল, অ্যাপ্লিকেশন বা ডিভাইস তৈরি, পরিচালনা বা প্রচার করেন; খেলায় অংশগ্রহণ করেন, সহায়তা করেন, বা প্রচারে উৎসাহ দেন— তাহলে তাকে জুয়া সংশ্লিষ্ট অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।
শাস্তি: সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড। - কেউ যদি সাইবার স্পেস ব্যবহার করে জালিয়াতি করেন, তবে তাকেও অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
শাস্তি: সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড। - আর যদি কোনো ব্যক্তি অনলাইনের মাধ্যমে প্রতারণামূলকভাবে কোনো অপরাধ সংগঠিত করেন, তাহলে তার জন্য রয়েছে আরও কঠোর শাস্তির বিধান।
শাস্তি: সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
এদিকে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যেই সাইবার অপরাধের উপর নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। সরকার জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সাইবার স্পেসকে নিরাপদ রাখা এবং সাধারণ জনগণকে প্রতারণা ও জালিয়াতি থেকে রক্ষা করা।
সরকার সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে— সাইবার অপরাধ রোধে সচেতন হোন, সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।



