-
আবুধাবি টেস্টে জয়ের জন্য শেষ সেশনে আফগানিস্তানের বাকি ৪ উইকেট তুলে নিতে হবে বাংলাদেশকে। তা না হলে দাপুটে ক্রিকেট খেলেও ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হবে নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে।
ম্যাচ জিততে চতুর্থ ইনিংসে আফগানিস্তানের সামনে ৪৭৯ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ২৮ রানে ২ উইকেট হারালেও ঘুরে দাঁড়ায় আফগানরা। সাদিকুল্লাহ অটল ও রহমত শাহের ৮২ রানের জুটি দলকে লড়াইয়ে ফেরায়। দলীয় ১১০ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন অধিনায়ক রহমত শাহ। ফেরার আগে তুলে নেন অর্ধশতক।
এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩৬ রানের সময় রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন হাশমতউল্লাহ শহিদি। পঞ্চম উইকেটে সাদিকুল্লাহ অটলের সঙ্গে ৬৬ রানের জুটি গড়েন ইব্রাহিম আলিখিল। দলীয় ২০২ রানে আলিখিল আউট হলে চাপে পড়ে আফগানিস্তান। এরপর ইসমাত আলমও মাত্র ৪ রান করে ফিরে যান।
পরে আবার ব্যাটিংয়ে নামলেও খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি হাশমতউল্লাহ শহিদি। দুই দফায় ব্যাটিং করে তাঁর সংগ্রহ ৩৬ রান। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে দুর্দান্ত ব্যাটিং চালিয়ে যান ওপেনার সাদিকুল্লাহ অটল। তাঁর ব্যাটেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে আফগানিস্তান।
চা-বিরতিতে যাওয়ার আগে আফগানিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ২৬৫ রান। ফলে শেষ সেশনে বাংলাদেশের সামনে জয়ের সুযোগ থাকলেও ড্রয়ের শঙ্কাও রয়েছে।
শেষ সেশনে খেলা হওয়ার কথা ৩১ ওভার। আফগানিস্তানের জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ২১৪ রান, হাতে রয়েছে ৪ উইকেট। এই পরিস্থিতিতে জয় তুলে নেওয়া তাদের জন্য কঠিন হলেও টিকে থেকে ম্যাচ বাঁচানোর চেষ্টা করবে দলটি।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের সামনে এখন একটাই লক্ষ্য—দ্রুত বাকি উইকেটগুলো তুলে নেওয়া। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং, সঠিক লাইন-লেংথ এবং ফিল্ডারদের কার্যকর ভূমিকা জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে।
শেষ সেশনে বাংলাদেশ কত দ্রুত আফগানিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে নিতে পারে, তার ওপরই নির্ভর করছে আবুধাবি টেস্টের ভাগ্য। কাঙ্ক্ষিত চার উইকেট তুলে নিতে পারলে জয়, আর আফগানরা টিকে গেলে ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হতে পারে বাংলাদেশকে।
শেষ সেশনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৪ উইকেট, ড্রয়ের শঙ্কা



