tanaka

অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ নয়, কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহারের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

আদালতের নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ না করতে বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। একই সঙ্গে...
প্রচ্ছদখেলাশেষ মুহূর্তের পেনাল্টিতে চেক প্রজাতন্ত্রকে রুখে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা

শেষ মুহূর্তের পেনাল্টিতে চেক প্রজাতন্ত্রকে রুখে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রথম ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে হেরে চাপে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। নকআউট পর্বে ওঠার আশা টিকিয়ে রাখতে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে জয় ছিল প্রায় অপরিহার্য। তবে ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে আফ্রিকার দলটি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ৮২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে পাওয়া গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র করে গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে হুগো ব্রুসের শিষ্যরা। ফলে গ্রুপ ‘এ’ থেকে পরের রাউন্ডে ওঠার লড়াইয়ে এখনো টিকে রয়েছে দুই দলই।

ম্যাচের আগে একাদশে বড় পরিবর্তন আনে চেক প্রজাতন্ত্র। নিয়মিত কয়েকজন খেলোয়াড়কে বেঞ্চে রেখে হোলেশ, দারিদা, চের্ভ ও মিখাল সাদিলেকদের সুযোগ দেন কোচ। অন্যদিকে আগের ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় দক্ষিণ আফ্রিকার শেফেলো সিথোলে ও থেম্বা জোয়ানে নিষিদ্ধ ছিলেন। তাই বাধ্য হয়ে দলে তিনটি পরিবর্তন এনে এমবাথা, মাসেকো ও অ্যাপোলিসকে শুরুর একাদশে রাখেন ব্রুস।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে চেক প্রজাতন্ত্র। তারই ফল মেলে ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে। ডান প্রান্ত থেকে আসা একটি লম্বা থ্রো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অ্যাডাম হ্লোজেক বল বাড়ান ডি-বক্সে। সেখানে সতীর্থের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকার জালে বল পাঠান মিখাল সাদিলেক। চলতি বিশ্বকাপে এটি এখন পর্যন্ত দ্রুততম গোল।

গোল হজমের পর সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেলেও চেক রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় সফল হতে পারেনি তারা। ফলে ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় ইউরোপের দলটি।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে মাঠে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪৭ মিনিটে প্যাট্রিক শিকের শক্তিশালী হেড দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস। পরে আক্রমণে গতি আনতে এভিডেন্স মাকগোপাকে নামান কোচ ব্রুস। ৭৩ মিনিটে তাঁর একটি হেড কোনোমতে রুখে দেন চেক গোলরক্ষক।

অবশেষে ম্যাচের ৮০ মিনিটে আসে দক্ষিণ আফ্রিকার কাঙ্ক্ষিত সুযোগ। থাপেলো মাসেকোর শট ডি-বক্সের ভেতরে হাত দিয়ে ঠেকিয়ে দেন বদলি ডিফেন্ডার পাভেল শুলৎস। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। দুই মিনিট পর স্পট কিক থেকে নির্ভুল শটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তেবোহো মোকোয়েনা।

শেষ সময়ের চেষ্টাতেও আর কোনো দল গোলের দেখা পায়নি। ফলে ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। এই ড্রয়ে গ্রুপ ‘এ’-এর পরের রাউন্ডে ওঠার সমীকরণ আরও জমে উঠেছে।