সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা গণমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই আসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণজনিত দুর্ঘটনার খবর। অধিকাংশ ঘটনা ঘটছে রান্নাঘরে। সংশ্লিষ্টদের তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, সিলিন্ডারের আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদির ত্রুটির কারণেই বিস্ফোরণ বেশি। রান্নাঘর ক্রমে মৃত্যুফাঁদ হয়ে উঠলেও এসব দুর্ঘটনায় হতাহতের সঠিক পরিসংখ্যান কারও কাছে নেই।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্ঘটনাগুলো মূলত গ্যাস লিকেজ থেকে ঘটে। সিলিন্ডারের হোস পাইপ, রেগুলেটর, গ্যাস ভালভের মতো গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশের ত্রুটির কারণে গ্যাস লিক হয়। সেই লিকেজ থেকে গ্যাস বেরিয়ে বাইরে কোথাও জমতে থাকে। সামান্য আগুন, এমনকি স্ফুলিঙ্গের সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে জমে থাকা সেই গ্যাস ভয়াবহ বিস্ফোরণ সৃষ্টি করে।
এছাড়া পাইপলাইনে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস লিকেজ থেকেও বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটছে। কিছু কিছু বিস্ফোরণ এমন ভয়াবহ যে দগ্ধদের চিকিৎসা করাও জটিল হয়ে পড়ে। অনেক সময় বিস্ফোরণে হতাহতদের হাত-পা উড়েও যায়।
তবে ফায়ার সার্ভিস বলছে, মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলা কোনো সমাধান নয়। সিলিন্ডারের ব্যবহার বন্ধ না করে এর সঠিক ব্যবহার বিধি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ডিস্ট্রিবিউটরদের মাধ্যমে গুণগত মান নিশ্চিত করাই এই সংকট থেকে মুক্তির উপায়।



