tanaka

তিনবেলা খাবার জুটত না, এখন শাহরুখ সেজে আয় ৫ লাখ রুপি!

একসময় সাইনবোর্ড আঁকাই ছিল জীবিকা নির্বাহের প্রধান অবলম্বন। অনিয়মিত আয়ের কারণে সংসার চালানোও ছিল কঠিন। কিন্তু চেহারায় বলিউড তারকা শাহরুখ খানের সঙ্গে অদ্ভুত মিলই...
প্রচ্ছদজাতীয়রাজধানীতে ১০ হাজার সক্রিয় সিমসহ চারজন গ্রেপ্তার, তিনজন চীনা নাগরিক

রাজধানীতে ১০ হাজার সক্রিয় সিমসহ চারজন গ্রেপ্তার, তিনজন চীনা নাগরিক

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা, অনলাইন জুয়া এবং প্রতারণার অভিযোগে তিন চীনা নাগরিকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। শনিবার রাতে পরিচালিত অভিযানে প্রায় ১০ হাজার সক্রিয় সিমকার্ড, বিপুল প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম, বিদেশি মদ এবং নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।

রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির সাইবার ক্রাইম বিভাগের একটি দল বসুন্ধরা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় অভিযান চালায়। সেখানে থেকে ঝর্না চাকমা জিয়ানা (২৭), লিউ হুই জাং (৪৬), ওয়ে ইউজি (৩০) এবং শে ই রান (৪২) নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানে ১৪টি ল্যাপটপ, ১৬টি স্মার্টফোন, ২০টি জিএসএম গেটওয়ে ডিভাইস, ২৬ বোতল বিদেশি মদ, নগদ ২ লাখ ৯ হাজার ৭০০ টাকা এবং প্রায় ১০ হাজার সক্রিয় সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সিমগুলোর মধ্যে প্রায় ৪ হাজার বাংলালিংকের বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিবির তথ্য অনুযায়ী, ঝর্না চাকমা পুরো ভবনটি ভাড়া নিয়ে এর দুটি ফ্লোর চীনা নাগরিকদের কাছে সাবলেট দেন। সেখানে অবস্থান করে তারা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অবৈধ ভিওআইপি, অনলাইন জুয়া এবং প্রতারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন।

পুলিশের দাবি, চক্রটি সাধারণ মানুষের মোবাইলে ঘরে বসে আয়, চাকরি বা বিভিন্ন বিশেষ অফারের প্রলোভন দেখিয়ে এসএমএস পাঠাত। ওই বার্তায় থাকা লিংকে ক্লিক করলেই ব্যবহারকারীরা প্রতারণার ফাঁদে পড়তেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে তারা বিশেষ ডিভাইসের সঙ্গে একাধিক সিম স্লট সংযুক্ত করে একই সঙ্গে ১২টি সিম পরিচালনা করত। ফলে অভিযোগ এলেও কারিগরি জটিলতার কারণে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের আইএমইআই নম্বর দ্রুত শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ত।

প্রাথমিক তদন্তে ডিবির ধারণা, চক্রটি অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। এছাড়া উদ্ধার হওয়া বিপুলসংখ্যক সক্রিয় সিম বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অবৈধভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।