tanaka

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা

দেশের বাজারে আবারও কমেছে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকযুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তানের আহ্বান

যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তানের আহ্বান

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে চলমান যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, উভয় পক্ষের জন্যই নিজ নিজ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রোববার (১২ এপ্রিল) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এক বিবৃতিতে ইসহাক দার বলেন, উভয় পক্ষের যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে তারা টেকসই শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগোবে—যা শুধু সংশ্লিষ্ট অঞ্চল নয়, বরং পুরো বিশ্বের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংলাপ ও সম্পৃক্ততা সহজ করতে পাকিস্তান তার মধ্যস্থতামূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। এ সময় তিনি পাকিস্তানের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়ায় উভয় পক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং একটি স্থায়ী সমাধানের দিকে অগ্রসর হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদিকে, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কোনো চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডি ভ্যান্স। একই সূত্রে জানা গেছে, ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের আতিথেয়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আলোচনায় কোনো ঘাটতি থাকলে তার জন্য পাকিস্তান দায়ী নয়।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জানান, প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে ইরানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়েছে। তবে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘রেড লাইন’ বা অগ্রহণযোগ্য সীমারেখা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিল, কিন্তু ইরান তা মেনে নেয়নি।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে দীর্ঘদিন পর সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৪৭ বছর পর এমন সরাসরি সংলাপকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈঠকে মার্কিন পক্ষের নেতৃত্ব দেন জেডি ভ্যান্স ও ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফের।

বৈঠকে লেবানন সংকট, ইরানের জব্দ অর্থ ছাড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে সংকট সমাধানের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এটি সংঘাত থেকে সরে এসে কূটনৈতিক পথে এগোনোর একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত।