tanaka

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা

দেশের বাজারে আবারও কমেছে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ...
প্রচ্ছদজাতীয়এমন সশস্ত্র বাহিনী চাই, যাদের বহিঃশক্তি সমীহ করবে: প্রধানমন্ত্রী

এমন সশস্ত্র বাহিনী চাই, যাদের বহিঃশক্তি সমীহ করবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এমন একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে হবে, যাকে বহিঃশক্তি সমীহ করবে এবং দেশের জনগণ রাখবে পূর্ণ আস্থায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পেশাদারিত্বের প্রশ্নে কোনো আপস না করে বাহিনীকে সর্বদা উচ্চ আদর্শিক অবস্থানে থাকতে হবে।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি স্তরে যে দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত করেছিলেন, তা কখনো নিভে যেতে দেওয়া যাবে না। তিনি উল্লেখ করেন, একটি ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী থাকলে বাংলাদেশকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ২০২৪ সালে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী অস্থিরতা ও প্রশাসনিক স্থবিরতার সময়েও বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে। শিল্পাঞ্চল, নগর-বন্দর এবং স্থবির অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে তাদের অবদান ছিল প্রশংসনীয়।

তিনি আরও বলেন, সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলকভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারকে সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তা দেশের জনগণ ও গণতন্ত্রের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতারই প্রতিফলন।

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়; এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি ও মর্যাদার প্রতীক। সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের আস্থাই বাহিনীর পথচলার মূল ভিত্তি হওয়া উচিত। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই প্রতিটি সদস্যের সর্বোচ্চ দায়িত্ব।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতে বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার চেষ্টা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টাও লক্ষ্য করা গেছে।

বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধের ধরন বদলে গেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপত্তা এখন শুধু স্থল সীমান্তে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সমুদ্র, আকাশ, সাইবার স্পেস, তথ্যযুদ্ধ, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উপকূলীয় নিরাপত্তা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি কেবল আধুনিক অস্ত্র সংযোজন নয়, বরং পেশাগত দক্ষতা, কৌশলগত প্রজ্ঞা এবং জ্ঞানভিত্তিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সশস্ত্র বাহিনী বর্তমান ও ভবিষ্যতের যেকোনো নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে।