দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর বুধবার সকালে প্রথমবারের মতো এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে শক্তিশালী উত্থান দেখা গেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামেও উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে।
বিনিয়োগকারীরা এখন নজর রাখছেন, ইরান হরমুজ প্রণালিতে তাদের কার্যত অবরোধ তুলে নেয় কি না। জাপানের প্রধান সূচক নিক্কেই ২২৫ স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচকও ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক ২ দশমিক ৮ শতাংশ ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) অপরিশোধিত তেলের ফিউচারস লেনদেনে ১৩ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ ডলারের নিচে নেমে এসেছে।
যদিও এটি বড় পতন, তবুও যুদ্ধ শুরুর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারির ৬৭ দশমিক ০২ ডলারের তুলনায় দাম এখনও বেশি অবস্থানে রয়েছে। বিশ্ববাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসও ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ কমে ৯৫ দশমিক ৩১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি কতটা উন্মুক্ত হবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। উল্লেখ্য, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়েই বিশ্বে মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহন করা হয়।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রস্তাবিত আলোচনা আদৌ দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী সমাধান আনতে পারবে কি না—তা নিয়েও সংশয় রয়ে গেছে।



