-
গবেষণার দাবি: এআই ক্যানসার রোগীর নির্দিষ্ট আয়ুষ্কাল বলে দেয় না; বরং বেঁচে থাকার সম্ভাবনার সঙ্গে সম্পর্কিত ঝুঁকি অনুমান করে।
-
২১ ও ১৭ শতাংশের হিসাব: এগুলো গবেষণায় পাওয়া আপেক্ষিক ঝুঁকির পার্থক্য কি না, মূল গবেষণাপত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। এগুলোকে ব্যক্তিগত মৃত্যুঝুঁকির সরাসরি হিসাব হিসেবে দেখানো যাবে না।
-
গবেষণার নাম ও লেখক: এফএএইচআর-ফেস মডেলের পূর্ণ নাম, গবেষণাপত্রের শিরোনাম এবং লেখকদের নাম মূল প্রকাশনা থেকে যাচাই করা উচিত।
-
ভারত-সংক্রান্ত অংশ: এটি মূল গবেষণার ফলাফল নয়, বরং প্রযুক্তিটির সম্ভাব্য প্রয়োগ ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা। তাই অংশটি বিশ্লেষণ হিসেবে উপস্থাপন করা ভালো।
-
সূত্র: এনডিটিভির প্রতিবেদনের পাশাপাশি দ্য ল্যানসেট ডিজিটাল হেলথ-এ প্রকাশিত মূল গবেষণাপত্রের লিংক যুক্ত করলে প্রতিবেদনটি আরও নির্ভরযোগ্য হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, শিরোনাম ও মূল প্রতিবেদনে এমন ধারণা দেওয়া যাবে না যে একটি সেলফি দেখেই এআই নিশ্চিতভাবে বলে দিতে পারে কোনো ক্যানসার রোগী কত দিন বাঁচবেন। প্রযুক্তিটি এখনো গবেষণাধীন এবং চিকিৎসকের মূল্যায়নের বিকল্প নয়।



