tanaka
প্রচ্ছদলাইফস্টাইলমুখের ছবি বিশ্লেষণ করে ক্যানসার রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনুমান করবে এআই

মুখের ছবি বিশ্লেষণ করে ক্যানসার রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনুমান করবে এআই

  • গবেষণার দাবি: এআই ক্যানসার রোগীর নির্দিষ্ট আয়ুষ্কাল বলে দেয় না; বরং বেঁচে থাকার সম্ভাবনার সঙ্গে সম্পর্কিত ঝুঁকি অনুমান করে।

  • ২১ ও ১৭ শতাংশের হিসাব: এগুলো গবেষণায় পাওয়া আপেক্ষিক ঝুঁকির পার্থক্য কি না, মূল গবেষণাপত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। এগুলোকে ব্যক্তিগত মৃত্যুঝুঁকির সরাসরি হিসাব হিসেবে দেখানো যাবে না।

  • গবেষণার নাম ও লেখক: এফএএইচআর-ফেস মডেলের পূর্ণ নাম, গবেষণাপত্রের শিরোনাম এবং লেখকদের নাম মূল প্রকাশনা থেকে যাচাই করা উচিত।

  • ভারত-সংক্রান্ত অংশ: এটি মূল গবেষণার ফলাফল নয়, বরং প্রযুক্তিটির সম্ভাব্য প্রয়োগ ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা। তাই অংশটি বিশ্লেষণ হিসেবে উপস্থাপন করা ভালো।

  • সূত্র: এনডিটিভির প্রতিবেদনের পাশাপাশি দ্য ল্যানসেট ডিজিটাল হেলথ-এ প্রকাশিত মূল গবেষণাপত্রের লিংক যুক্ত করলে প্রতিবেদনটি আরও নির্ভরযোগ্য হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, শিরোনাম ও মূল প্রতিবেদনে এমন ধারণা দেওয়া যাবে না যে একটি সেলফি দেখেই এআই নিশ্চিতভাবে বলে দিতে পারে কোনো ক্যানসার রোগী কত দিন বাঁচবেন। প্রযুক্তিটি এখনো গবেষণাধীন এবং চিকিৎসকের মূল্যায়নের বিকল্প নয়।

পূর্ববর্তী
পরবর্তী
সৌদি আরবের রিয়াদে হামলায় নিহত বাংলাদেশি ওমরাহযাত্রী মুফতি মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরির পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। নিহতের পরিবারের স্থায়ী আবাসন ও সন্তানদের শিক্ষার দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি পরিবারটিকে ব্যক্তিগতভাবে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন মন্ত্রী। বুধবার (২১ অক্টোবর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার শিকার হন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ৪৫ সদস্যের একটি ওমরাহ কাফেলা। এ ঘটনায় বাংলাদেশের মুফতি মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরি (৪৫) নিহত হন। তিনি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদরপুরের বাসিন্দা এবং ওই ওমরাহ কাফেলার দলনেতা ছিলেন। হামলায় কাফেলার আরও কয়েকজন সদস্য আহত হন। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হামলার খবর পাওয়ার পরপরই ধর্মমন্ত্রী ওমরাহ কাফেলার সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে আহতদের উদ্ধার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে উদ্যোগ নেন তিনি। পরবর্তী সময়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন আহতদেরও নিয়মিত খোঁজখবর নেন মন্ত্রী। হামলায় যাত্রীদের লাগেজ হারিয়ে গেলে তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাঁদের আপ্যায়ন ও নতুন পোশাকের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি দেশে ফেরার টিকিট নিশ্চিত করা এবং তাঁদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা হয়। নিহত নাসরুল্লাহ বদরপুরির পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার অংশ হিসেবে গত ১৩ অক্টোবর ধর্মমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মাওলানা ইয়াকুব ওসমানীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নাঙ্গলকোটের বদরপুরে তাঁর বাড়িতে যায়। এ সময় পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। ধর্মমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবারের স্থায়ী আবাসন ও সন্তানদের শিক্ষার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস এবং আর্থিক সহায়তা দেওয়াকে শোকাহত পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।