tanaka

মেরুল বাড্ডায় রাজউকের দেড় হাজার কোটি টাকার জমি ২১ বছর ধরে দখলে

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় রাজউকের প্রায় ১১ একর জমি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমিটির বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। একই জমিকে ঘিরে প্রায় ছয় হাজার মানুষের কাছ থেকে ৩০০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকভাসমান বিদ্যুৎকেন্দ্র: জ্বালানি সংকটের অভিনব সমাধান

ভাসমান বিদ্যুৎকেন্দ্র: জ্বালানি সংকটের অভিনব সমাধান

স্থলভাগে মাইলের পর মাইল জমি অধিগ্রহণ, বছরের পর বছর ধরে অবকাঠামো নির্মাণ আর গ্রিড লাইনের দীর্ঘসূত্রতা—একটি প্রথাগত বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর চিরচেনা চিত্র এটি। কিন্তু বর্তমান বিশ্বের তীব্র জ্বালানি সংকট ও দ্রুত বর্ধনশীল বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে এই চেনা সমীকরণ বদলে দিচ্ছে এক অভিনব প্রযুক্তি: ‘পাওয়ারশিপ’ বা ভাসমান বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিশাল আকৃতির একেকটি জাহাজ, যার পেটের ভেতর লুকিয়ে আছে আস্ত একটি আধুনিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। সমুদ্রের বুকে নোঙর ফেলেই যা নিমিষে আলো ছড়াতে পারে পুরো একটি বড় শহরে।

বিশ্বজুড়ে যখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট তীব্র রূপ নিচ্ছে, তখন এই ভাসমান বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো হয়ে উঠেছে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর সমাধানের এক বড় হাতিয়ার। আর এই প্রযুক্তির একেবারে শিখরে অবস্থান করছে বিশ্বের বৃহত্তম পাওয়ারশিপ ‘এমভি কারাদেনিজ পাওয়ারশিপ ওসমান খান’।সমুদ্রের বুকে ৪৭০ মেগাওয়াটের দানব

লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ও তুর্কি জায়ান্ট ‘কারপাওয়ারশিপ’-এর মালিকানাধীন এই জাহাজটি প্রকৌশলবিদ্যার এক অনন্য বিস্ময়। প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ এবং ৫০ মিটার চওড়া ভাসমান বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা শুনলে চমকে উঠতে হয়—৪৭০ মেগাওয়াট।

সহজ কথায়, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মতো একটি মেগাসিটির বড় অংশের এককালীন লোডশেডিং দূর করতে বা আফ্রিকার একটি ছোট দেশের মোট চাহিদার এক-চতুর্থাংশ মেটাতে এই একটি জাহাজই যথেষ্ট। বর্তমানে ঘানার ২৩ শতাংশ বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করছে ভাসমান বিদ্যুৎকেন্দ্রটি।এক লাখ টনেরও বেশি ওজনের এই দানবীয় জাহাজে বসানো রয়েছে ২৪টি ডুয়েল-ফিউয়েল ইঞ্জিন এবং শক্তিশালী স্টিম টারবাইন, যা কম সময়ে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম।

মালবাহী জাহাজ থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র

‘ওসমান খান’ জাহাজটির জন্ম কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে হয়নি। ২০০০ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং শিপবিল্ডিং ইয়ার্ডে যখন এটি প্রথম পানিতে ভাসে, তখন এর পরিচয় ছিল ‘প্যাসিফিক ট্রায়াঙ্গেল’ নামে একটি সাধারণ বাল্ক ক্যারিয়ার বা মালবাহী জাহাজ। দীর্ঘ দেড় দশক ধরে মহাসমুদ্রে কয়লা বা আকরিক লোহা বয়ে বেড়ানোই ছিল এর কাজ।