tanaka

চ্যানেল আইয়ের পর্দায় আজ থেকে ‘স্পেলিং স্টার ২০২৬’

দেশজুড়ে কয়েক ধাপের বাছাইপর্ব শেষ করে এবার টেলিভিশনের পর্দায় শুরু হচ্ছে ‘শাহীন শিক্ষা পরিবার-চ্যানেল আই স্পেলিং স্টার ২০২৬’-এর মূল প্রতিযোগিতা। আজ শুক্রবার থেকে চ্যানেল...
প্রচ্ছদখেলাবিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার একাদশ ফাঁস করেছিলেন দলেরই এক ফুটবলার!

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার একাদশ ফাঁস করেছিলেন দলেরই এক ফুটবলার!

২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনা দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁস করেছিলেন মেসিরই এক সতীর্থ। এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন আর্জেন্টিনার সাংবাদিক ফেদে রদাস। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কোচ লিওনেল স্কালোনির শুরুর একাদশে জায়গা না পেয়ে ক্ষুব্ধ এক তারকা ফুটবলার ফাইনালের একাদশের পাশাপাশি অনুশীলনসংক্রান্ত গোপন তথ্যও প্রকাশ করেছিলেন।

রদাসের দাবি, শুধু ম্যাচের একাদশ নয়, ফাইনালের প্রস্তুতির সময় অনুশীলনে এক চোট পাওয়া খেলোয়াড়কে ঘিরে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাও ওই সতীর্থ তাকে জানিয়েছিলেন। তবে সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি ওই ফুটবলারের পরিচয় প্রকাশ করেননি। শুধু জানিয়েছেন, অভিযুক্ত খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক মানের একজন তারকা ছিলেন। দলে তার চেয়ে ভালো খেলোয়াড় থাকায় বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি তিনি।

এ বিষয়ে ফেদে রদাস বলেন, আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে এমন একজন বিশ্বমানের ফুটবলার ছিলেন, যিনি প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলার সুযোগ না পাওয়ায় অসন্তুষ্ট ছিলেন। ফাইনালের আগে তিনি নিজেই দলের শুরুর একাদশের তথ্য জানিয়েছিলেন। পাশাপাশি অনুশীলনে আহত এক খেলোয়াড়কে নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথাও প্রকাশ করেন।

রদাসের ভাষায়, ওই ফুটবলার ছিলেন দুর্দান্ত খেলোয়াড়। কিন্তু তার চেয়েও ভালো কয়েকজন সতীর্থ থাকায় নিয়মিত একাদশে জায়গা পাচ্ছিলেন না। বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে তার মনোভাব ছিল এমন, ‘আমাকে খেলাবে না? তাহলে তোমাদের একাদশ ফাঁস করে দেব।’

২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছিলেন স্কালোনি। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনালে খেলা একাদশ থেকে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের পরিবর্তে সুযোগ পান আনহেল দি মারিয়া। অর্থাৎ ফাইনালের আগে দল সাজানোর ক্ষেত্রে এটিই ছিল একমাত্র পরিবর্তন।

লুসাইল স্টেডিয়ামের সেই ফাইনালে শুরু থেকেই দাপট দেখায় আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে লিওনেল মেসির পেনাল্টি এবং আনহেল দি মারিয়ার গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দলটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপ্পে পরপর দুটি গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।

নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়েও নাটকীয়তা অব্যাহত থাকে। মেসির গোলে আবারও এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু এমবাপ্পে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে স্কোর ৩-৩ করেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় টাইব্রেকারে। সেখানে এমিলিয়ানো মার্তিনেসের অসাধারণ গোলরক্ষণের সুবাদে ফ্রান্সকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্টিনা।

পুরো টুর্নামেন্টেই অসাধারণ ছন্দে ছিলেন মেসি। সাত ম্যাচে সাতটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে তিনটি গোল করান তিনি। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে জেতেন গোল্ডেন বল। ছয়টি ম্যাচে গোল করেন তিনি, যার মধ্যে ফাইনালেই ছিল দুটি গোল। ফ্রান্সের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও সফলভাবে বল জালে পাঠান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

তথ্যগত সতর্কতা: মূল লেখার শেষ অনুচ্ছেদে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের কথা বলা হয়েছে। ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে এই দাবিটি যাচাই ছাড়া প্রকাশ করা উচিত নয়।