tanaka

এআই আধিপত্যে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের তীব্র প্রতিযোগিতা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। উভয় দেশই এআইকে অর্থনীতি, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতিতে...
প্রচ্ছদজাতীয়বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে ১৭ সদস্যের জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে ১৭ সদস্যের জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং বেসামরিক বিমান চলাচলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৭ সদস্যের জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পুনর্গঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। প্রতিমন্ত্রীকে কমিটির সহ-সভাপতি এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য (নিরাপত্তা) সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে দেশের প্রধান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিটির প্রথম সভা আগামী বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেবিচক সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ, প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় কৌশলগত সুপারিশ প্রণয়নের মাধ্যমে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে এই কমিটি।

এ ছাড়া নতুন বিমানবন্দর নির্মাণে নিরাপত্তাসংক্রান্ত অবকাঠামো নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (ICAO) মানদণ্ড অনুসরণ, বিমানবন্দরে আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংযোজন এবং বিদ্যমান নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনার দায়িত্বও পালন করবে কমিটি।

কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ সদস্য অন্তর্ভুক্তি এবং উপকমিটি গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী, কমিটির সভাপতি বছরে অন্তত দুইবার সভা আহ্বান করবেন।

এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, সমন্বিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত কার্যক্রম এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা আরও কার্যকর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই জাতীয় কমিটির কার্যকর তদারকি ও সমন্বয়ের ফলে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং খাতটি বিশ্বমানের নিরাপত্তা কাঠামোর দিকে এগিয়ে যাবে।