tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদরাজনীতিবর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যা বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যা বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা হঠাৎ সৃষ্টি হয়নি; বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনাস্থা এবং দলগুলোর মধ্যে দূরত্বের ফলেই এ পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে।

সম্প্রতি একটি টকশোতে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিরোধী দলগুলো তাদের অধিকার আদায়ের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করছে। অন্যদিকে সরকারও নিজস্ব রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনড় রয়েছে। তবে গণতন্ত্রের স্বার্থে উভয় পক্ষেরই আলোচনার টেবিলে বসা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ভাষ্য, সহিংসতা বা সংঘাত কখনোই স্থায়ী সমাধান বয়ে আনতে পারে না। জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত।

সাক্ষাৎকারে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির সম্পর্ক এবং জুলাই পদযাত্রায় দলটির অংশগ্রহণ না থাকার বিষয়েও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি জানান, একসময় তিনি ছাত্রশিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে পরবর্তীতে আদর্শগত পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি সেই সংগঠন ছেড়ে বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানে আসেন এবং এখন এনসিপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

তিনি বলেন, মাদ্রাসায় পড়াশোনার সময় অন্য কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ না থাকায় ছাত্রশিবিরে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। পরে রাজনৈতিক দর্শন ও আদর্শে পরিবর্তন আসায় তিনি সেই অবস্থান থেকে সরে এসে নতুন রাজনৈতিক পথ বেছে নেন।

বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, তাদের প্রথম পছন্দ ছিল বিএনপির সঙ্গে সংস্কারভিত্তিক সমঝোতা। তবে বিএনপি সংস্কারের বিষয়ে সম্মত না হওয়ায় তারা এমন রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে এগিয়েছেন, যারা সংস্কারের পক্ষে ছিল।

জামায়াতে ইসলামীর এক সংসদ সদস্যকে ঘিরে উত্থাপিত ‘মোরাল টারপিচিউড’ বা নৈতিক স্খলনের অভিযোগ সম্পর্কে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার দায়িত্ব জামায়াতে ইসলামীর। তবে নীতিগতভাবে তিনি মনে করেন, কোনো রাজনৈতিক দলের কেউ নৈতিক স্খলনের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকে দলীয় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে সৎ, যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনা উচিত।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে আদর্শের পাশাপাশি বাস্তব প্রয়োগও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো রাজনৈতিক দর্শন কাগজে-কলমে যতই আকর্ষণীয় হোক না কেন, বাস্তবে যদি সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা না যায়, তবে সেই রাজনীতির সীমাবদ্ধতা থেকেই যায়।