লাল ও হলুদ কার্ডের পাশাপাশি এবার ফুটবলে যুক্ত হচ্ছে গ্রিন কার্ড। আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) চিলিতে শুরু হচ্ছে ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ, যেখানে অংশ নিচ্ছে ২৪টি দেশ। এই টুর্নামেন্ট থেকেই দেখা যাবে ফিফার নতুন প্রযুক্তিগত উদ্যোগ—গ্রিন কার্ডের ব্যবহার।
গ্রিন কার্ড কী?
গ্রিন কার্ড মূলত রেফারিদের জন্য নয়, বরং দলের কোচদের জন্য প্রযোজ্য। কোনো কোচ যদি মনে করেন মাঠের সিদ্ধান্ত ভুল বা বিতর্কিত, তবে এনএফএল-এর ‘চ্যালেঞ্জ’ পদ্ধতির মতো গ্রিন কার্ড ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ পাবেন।
কখন ব্যবহার করা যাবে?
প্রতিটি দল নির্দিষ্ট সংখ্যকবার গ্রিন কার্ড ব্যবহার করতে পারবে। এটি ব্যবহার করা যাবে—
- পেনাল্টি সিদ্ধান্ত (হ্যাঁ বা না),
- লাল কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত,
- গোল হয়েছে কি না সে বিষয়ে সন্দেহ,
- ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানো ইত্যাদি ক্ষেত্রে।
প্রযুক্তির প্রয়োগ
এই কার্ডের মাধ্যমে গৃহীত সিদ্ধান্ত যাবে ভিডিও রিভিউ সিস্টেম (এফভিএস)-এ। এর আগেও ২০২৪ সালে সুইজারল্যান্ডে ব্লু স্টার ইয়ুথ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং কলম্বিয়ায় অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপে পরীক্ষামূলকভাবে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল।
ফিফার লক্ষ্য
ফিফার এই উদ্যোগ মাঠের সিদ্ধান্তকে আরও সঠিক ও ন্যায়সঙ্গত করতে নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফুটবলে প্রযুক্তির এমন সংযোজন খেলার মান বাড়াবে এবং দর্শকদের অভিজ্ঞতাকে করবে আরও সমৃদ্ধ।



