tanaka

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ব্রিফিং ডেকেছে ডিএমপি

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরসংলগ্ন নিউগিনি প্রপার্টিজে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিক‘ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট কোকেইন আসক্ত’—ভাই-বোনের তিক্ত দ্বন্দ্ব

‘ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট কোকেইন আসক্ত’—ভাই-বোনের তিক্ত দ্বন্দ্ব

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মারকোস জুনিয়র ও তার বোন সিনেটর আইমি মারকোসের সম্পর্ক বহুদিন ধরেই শীতল। সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে আইমি অভিযোগ করেছেন, তার ভাই বহু বছর ধরে মাদকাসক্ত এবং কোকেইনের ওপর নির্ভরশীল। তার মতে, এ কারণে প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে দুর্বলতা ও দুর্নীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট মারকোস এসব দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র এসব অভিযোগকে “ভিত্তিহীন” বলে মন্তব্য করেছেন। কমিউনিকেশনস আন্ডারসেক্রেটারি ক্লেয়ার ক্যাস্ত্রো জানান, সিনেটর আইমির মন্তব্য হয়তো সিনেটে তার রাজনৈতিক মিত্রদের জড়িত করে চলমান দুর্নীতি তদন্ত থেকে মনোযোগ সরানোর চেষ্টা হতে পারে। তিনি বলেন, “সিনেটর আইমি, আমি আশা করি আপনি দেশপ্রেম দেখাবেন এবং প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে চলমান দুর্নীতি তদন্তে সহযোগিতা করবেন, দুর্নীতিবাজদের আড়াল করবেন না।”

মারকোস প্রশাসনের গঠিত স্বাধীন অনুসন্ধান কমিশন, একটি সিনেট কমিটি এবং সরকারি সংস্থাগুলো তদন্ত করছে—বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্মাণ কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে প্রভাবশালী কয়েকজন সংসদ সদস্য ও সিনেটর ঘুষ নিয়েছেন কি না। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রকল্প নিম্নমানের ছিল, অসম্পূর্ণ ছিল বা একেবারেই বাস্তবায়ন করা হয়নি—যা বন্যা ও টাইফুনপ্রবণ দেশে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।

সোমবার রাতে ম্যানিলার একটি পার্কে ধর্মীয় গোষ্ঠীর বড় সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে আইমি মারকোস আরও দাবি করেন, তাদের বাবার ক্ষমতার সময় থেকেই তার ভাইয়ের মাদকাসক্তির শুরু, এবং তা এখনো চলছে। তার বক্তব্যে তিনি বলেন, এটি প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্যে ও শাসনক্ষমতায় প্রভাব ফেলছে।

ভাই-বোন দু’জনই ফিলিপাইনের সাবেক একনায়ক ফার্দিনান্দ মারকোস সিনিয়রের সন্তান, যাকে ১৯৮৬ সালের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। আইমি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রেসিডেন্টের স্ত্রী ও সন্তানরাও মাদক ব্যবহার করেন। ২০২২ সালে ফার্দিনান্দ মারকোস জুনিয়র প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ভাই-বোনের মধ্যে প্রায় যোগাযোগই নেই। অন্যদিকে প্রেসিডেন্টের স্ত্রী লিজা মারকোস ও সন্তানরা—যাদের একজন সংসদ সদস্য—এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।