ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক শেষে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ইরানের প্রতিনিধিদলকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দেশে ফেরত পাঠায় পাকিস্তান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠক প্রত্যাশিত ফল না দেওয়ায় ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে ফেরার পথে হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়। বিশেষ করে তারা মনে করেছিলেন, ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি থাকতে পারে। যদিও এটিকে তাৎক্ষণিক হুমকি হিসেবে নয়, বরং সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।
এই প্রেক্ষাপটে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে পাকিস্তান প্রায় ২০টি বিমান মোতায়েন করে। এর মধ্যে যুদ্ধবিমান ছাড়াও আকাশপথ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব বিমান ইরানি প্রতিনিধিদলকে পাকিস্তানের আকাশসীমা ত্যাগ করা পর্যন্ত নিরাপত্তা দিয়ে সহায়তা করে।
একজন নিরাপত্তা সূত্র জানান, বৈঠক সফল না হওয়ায় ইরানি প্রতিনিধিরা কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং নিজেদের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছিলেন।
এছাড়া এক আঞ্চলিক কূটনীতিকের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি তাৎক্ষণিক হামলার আশঙ্কা না হলেও সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে দেখা হয়েছিল। সে কারণেই পাকিস্তান আগাম নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, ভবিষ্যতে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ক্ষেত্রেও অনুরূপ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।



