tanaka

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা

দেশের বাজারে আবারও কমেছে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ...
প্রচ্ছদজাতীয়পদত্যাগে কোনো চাপ নেই : ড. মোমেন

পদত্যাগে কোনো চাপ নেই : ড. মোমেন

কোনো ধরনের চাপ ছাড়াই দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানিয়েছেন ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। তার সঙ্গে কমিশনের অপর দুই সদস্য—মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ—একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান।

আবদুল মোমেন বলেন, “আমরা তিনজন—এই কমিশনের তিন সদস্য—আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছি। পদত্যাগপত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।”

পদত্যাগের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের পদত্যাগের বিশেষ কোনো কারণ নেই। একটি নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে, তাদের নিজস্ব প্রত্যাশা রয়েছে। সেই প্রত্যাশা পূরণে সরকার হয়তো আমাদের চেয়ে অধিকতর যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নতুন কমিশন গঠন করবে।”

দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন। কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ১১ ডিসেম্বর এবং কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ ১৫ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। “এই সময়টুকু আমরা সাধ্যমতো দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। আমাদের কাজের মূল্যায়ন আপনারাই করবেন,” বলেন তিনি।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরিবর্তনের ধারায় দুদকের নেতৃত্বেও রদবদল আসে। মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর আবদুল মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়। এর আগে তিনি চুক্তিভিত্তিক সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তার দুদিন আগে, ১০ ডিসেম্বর, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রায় ১৫ মাস দায়িত্ব পালনের পর নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ১৪তম দিনে তারা পদত্যাগ করলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, “আমাদের এতদিন নখদাঁত ছিল কি ছিল না, তার বিচার করবেন আপনারাই। দায়িত্বে থাকা সময়ে আমরা যথাসাধ্য কাজ করার চেষ্টা করেছি।”

পদত্যাগে কোনো রাজনৈতিক বার্তা আছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “নতুন সরকারের নিজস্ব ম্যানিফেস্টো ও পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার তাদের নীতিনির্ধারিত পথে এগোবে। এর বাইরে ভিন্ন কিছু দেখছি না।”