tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়নিরাপত্তা, সুশাসন ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার জামায়াত আমীরের

নিরাপত্তা, সুশাসন ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার জামায়াত আমীরের

জাতির উদ্দেশ্যে জামায়াত আমীর

ক্ষমতায় গেলে নিরাপত্তা, সুশাসন ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান আগামীর বাংলাদেশকে নতুন মূল্যবোধের আলোকে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

সোমবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সরকার রাষ্ট্রের মৌলিক কিছু সংস্কারের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল। তবে এসব পরিকল্পনার সবগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি, আবার অনেকগুলো এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়ে গেছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত ও প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত সংস্কার এখন সময়ের দাবি। এসব সংস্কারকে অব্যাহত রাখা এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা আর জুলাই চাই না। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে জনগণকে আর কখনো রাস্তায় নামতে হবে না। আমাদের বুঝতে হবে, জুলাই কেন হয়েছিল। জুলাই হয়েছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশের দাবিতে। জুলাই হয়েছিল একটি কালো রাজনৈতিক ধারার পরিবর্তনের জন্য। যুগের পর যুগ ক্ষমতা কুক্ষিগত ছিল পরিবারতন্ত্র ও নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে—সেখান থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষাই ছিল জুলাইয়ের মূল প্রেরণা।”

তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে ২০০৯ সাল থেকে এমন এক শাসকগোষ্ঠী জাতির ওপর চেপে বসে, যারা মানবাধিকার, ভোটাধিকারসহ সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং ‘আয়নাঘর’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের ওপর নিপীড়ন চালানো হয়েছে। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে পরপর তিনটি জাতীয় নির্বাচনকে তিনি “নির্বাচনের নামে তামাশা” আখ্যা দিয়ে বলেন, এসবের মাধ্যমে জনগণকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সব নিপীড়ন ও হারানো অধিকার ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেই রক্তাক্ত জুলাইয়ের সৃষ্টি হয়েছে। আজকের তরুণ প্রজন্ম একটি নতুন দেশ দেখতে চায়—যে দেশকে তারা গর্বের সঙ্গে ‘নতুন বাংলাদেশ’ বলে পরিচয় দিতে পারবে।