tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়‘দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে'

‘দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে’

দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে—এমন মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে অনুষ্ঠিত ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা–২০২৬’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নির্বাচন ও গণভোটের ফলই দেশের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, তরুণদের নিজস্ব রাজনৈতিক দল রয়েছে এবং নির্বাচনে তাদের অনেকেই বিজয়ী হয়ে নেতৃত্বে আসবেন। এ সময় তিনি তরুণ প্রজন্মকে বড় স্বপ্ন দেখার এবং আগামীর নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষার উদ্দেশ্য নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় মূলত চাকরি পাওয়ার লক্ষ্যেই শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করা হচ্ছে, যা তাদের সৃজনশীলতাকে সীমাবদ্ধ করে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, শিক্ষার্থীরা কেন শুধু চাকরির সন্ধান করবে, কেন তারা উদ্যোক্তা হওয়ার পথে এগোবে না? প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু করার সাহস শিক্ষাব্যবস্থার মধ্য দিয়েই বিকশিত হওয়া জরুরি।”

দক্ষিণ এশিয়াকে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন ও ভুল নীতির কারণে এই অঞ্চলের বিপুল সম্ভাবনা অনেক সময় কাজে লাগানো যায় না। তবে তিনি আশাবাদী যে, সঠিক ও মানসম্মত শিক্ষা তরুণদের সেই শক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারে, যারা ইতিবাচক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেবে।

তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি এবং বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও উচ্চশিক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, গবেষক ও কূটনীতিকরাও সম্মেলনে উপস্থিত রয়েছেন।