যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, সুপ্রিম কোর্টে বিরোধীদের আবেদন | জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে অনড় আন্দোলনকারীরা | ‘থামব না, গোটা দেশকে যন্তর মন্তর বানাব’ | পুলিশের বিরুদ্ধে নারী আন্দোলনকারীদের নির্যাতনের অভিযোগ | রাহুলের হুঁশিয়ারি—জ্ঞানেশের পর মোদি-অমিত শাহের পালা
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজধানী নয়াদিল্লি। নিরাপত্তার কড়াকড়ি, সড়কে ব্যারিকেড, ধরপাকড় এবং যান চলাচলে বিধিনিষেধের মধ্যেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন এলাকায়। সোমবার কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলোর আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে ব্যাপক জনসমাগম হয়। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিরোধী নেতারা।
বিক্ষোভ থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ঘোষণা দিয়েছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলনেই থেমে থাকবে না বিরোধীরা। তাঁর ভাষায়, এরপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পালা। অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, যন্তর মন্তরে আর বিক্ষোভ করতে দেওয়া হবে না। তবে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, প্রতিবাদের স্থান পরিবর্তন করে আন্দোলন থামানো যাবে না; প্রয়োজনে গোটা ভারতকেই যন্তর মন্তরে পরিণত করা হবে।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ দেওয়া এবং অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসসহ বিভিন্ন বিরোধী দল ও আন্দোলনকারী সংগঠনগুলো প্রতিবাদ জোরদার করেছে। শনিবারের ধরপাকড়ের পরও আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। দিল্লির বাইরে পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
যন্তর মন্তরে নিষেধাজ্ঞা, বিকল্প তিন স্থান
দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দানে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের নির্দেশনা দিয়েছে। সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের যুক্তি, বিক্ষোভ ও জনসমাবেশ পরিচালনার জন্য বিকল্প স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বিরোধীদের আশঙ্কা, কেন্দ্রীয় দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক এলাকা থেকে আন্দোলন সরিয়ে দূরের মাঠে নিয়ে গেলে প্রতিবাদের দৃশ্যমানতা ও জনসমর্থন তুলে ধরার সুযোগ কমে যেতে পারে।
এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যুক্তিতে নেওয়া পদক্ষেপ আন্দোলনের রাজনৈতিক প্রভাবও সীমিত করবে কি না। বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীরা বলছেন, স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে তাঁদের প্রতিবাদ দমিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।
গত ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে থেকেই দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন, ব্যারিকেড স্থাপন, যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়। বিক্ষোভের দিন বহু মানুষকে আটক করা হয়। পরবর্তী দিনগুলোতেও প্রতিবাদস্থল ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা অব্যাহত থাকে।
‘মাথা নোয়াব না’, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা
বিক্ষোভে ধরপাকড়ের পরও আন্দোলন থেকে সরে আসেননি ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) অভিজিৎ দীপক, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। তাঁদের অভিযোগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নামে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।
অভিজিৎ দীপক বলেন, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের পথ বন্ধ করে দেওয়া হলেও আন্দোলন থামবে না। বরং গোটা দেশকেই যন্তর মন্তরে পরিণত করা হবে।
সৌরভ দাসের বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা নাগরিক অধিকার। সেই অধিকার প্রয়োগের পথ বন্ধ করার চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিকভাবেই লড়াই চালানো হবে। একই অবস্থানে রয়েছেন আশুতোষ রাঙ্কাও।
সোমবার সিজেপি দিল্লি পুলিশের কাছে যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের জন্য দিন ও সময় নির্ধারণের দাবি জানিয়ে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছে। সংগঠনটির বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমতি না মিললে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
ফলে প্রতিবাদের স্থান পরিবর্তন নিয়ে প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পরও বিরোধ ও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের টানাপোড়েন কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
সুপ্রিম কোর্টে বিরোধীরা, রাহুলের হুঁশিয়ারি
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন বিরোধী দলের নেতারা। একই দাবিতে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকেরা সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে মিছিল করেন।
মিছিলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা। তাঁদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে।
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, তৃণমূল কংগ্রেসের সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তেজস্বী প্রসাদ যাদব।
আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম ঘটেছে।
রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে মিছিলটি তিলক মার্গ হয়ে সুপ্রিম কোর্টের দিকে যাওয়ার সময় ভগবান দাস রোডে পুলিশ বাধা দেয়। ফলে মিছিলটি আদালত পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি। এ সময় ভগবান দাস রোড ও আশপাশের এলাকায় হাজারো মানুষ অবস্থান করছিলেন।
মিছিল শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর দাবিতে একটি অভিন্ন আন্দোলন চলছে। তিনি বলেন, ‘এরপর প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহের পালা। আমরা থামব না।’
কংগ্রেস নেতার অভিযোগ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের চাপে কাজ করছেন। পরে জ্ঞানেশ কুমারকে উদ্দেশ করে রাহুল বলেন, তাঁর হাতে এখনো পদত্যাগ করার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি তাঁকে রাজসাক্ষী হওয়ার আহ্বান জানান।
তবে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ এবং বিরোধীদের দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।
কলকাতার রাজপথে নামছেন মমতা
দিল্লির পর পশ্চিমবঙ্গেও প্রতিবাদের উত্তাপ বাড়ছে। কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কলকাতায় প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এ মিছিল হওয়ার কথা রয়েছে। তৃণমূলের এক নেতা জানিয়েছেন, দলটির নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিছিলে অংশ নিতে পারেন। এর আগে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের আপত্তি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগের মধ্যে কলকাতার এই কর্মসূচি আন্দোলনের বিস্তৃতি আরও বাড়াতে পারে।
দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে নারী আন্দোলনকারীদের নির্যাতনের অভিযোগ
এদিকে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের আচরণ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্ক্রল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার সেন্ট্রাল দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলাকালে নওরিনসহ বহু আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়।
‘রেভল্যুশনারি ওয়ার্কার্স পার্টি অব ইন্ডিয়া’র সদস্য নওরিন অভিযোগ করেছেন, আটক করার পর তাঁদের এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে জনসাধারণ ও সংবাদমাধ্যমের নজর ছিল না। সেখানে আলাদা করে তাঁদের মারধর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।
নওরিনের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার তাঁকে আরও ১৬ জন আন্দোলনকারীর সঙ্গে পুলিশ ভ্যানে তোলা হয়। তাঁদের মধ্যে ১৫ জন ছিলেন নারী।
স্ক্রলকে নওরিন বলেন, ‘আমাদের ভেতরে নিয়ে গিয়ে আলাদা আলাদাভাবে মারধর করা হয়।’
তিনি অভিযোগ করেন, দিল্লি পুলিশের নারী সদস্যরা ‘দিশা স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন’-এর সদস্য অরণ্যা নামের এক আন্দোলনকারীকে মারধর করেন। নওরিনের দাবি, অরণ্যাকে ভ্যানের প্রবেশপথে শুইয়ে একজন নারী কনস্টেবল তাঁর গলা চেপে ধরেন এবং আরেকজন কনুই দিয়ে আঘাত করেন।
পরে এক পুলিশ কর্মকর্তা অরণ্যাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান বলে জানান নওরিন। তাঁর আরও অভিযোগ, এরপর অন্য নারী আন্দোলনকারীদের বুকে ও গোপনাঙ্গে আঘাত করা হয়।
এসব অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাইও এখানে সম্ভব হয়নি।
‘প্রতিটি প্রজন্মের সামনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মুহূর্ত আসে’
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে ভিডিওবার্তা দিয়েছেন ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের এই নেত্রী বলেন, প্রতিটি প্রজন্মের সামনে এমন একটি সময় আসে, যখন তাকে আরাম-আয়েশের জীবন বেছে নেওয়া অথবা বিবেকের ডাকে সাড়া দেওয়ার মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
নেহা বলেন, ‘আমাদের সবার সামনে সেই বিশেষ মুহূর্ত আবারও এসেছে।’
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ১৯৪২ সালের ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করে তিনি বলেন, ব্রিটিশ শাসকেরা স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতাদের গ্রেপ্তার করে আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ার আশা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে নতুন প্রজন্ম আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়।
নেহার অভিযোগ, বর্তমান সরকারও সড়ক বন্ধ করা, আন্দোলনকারীদের আটক করা এবং তাঁদের কথা বলার সুযোগ সীমিত করার মাধ্যমে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করছে। তাঁর মতে, ১৯৪২ সালের প্রজন্মের মতোই বর্তমান প্রজন্মকেও প্রতিবাদের পথ বেছে নিতে হবে।
রাজনৈতিক সংঘাতের কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশন
এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া ও অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ এখন দিল্লির রাজপথ, আদালত এবং বিভিন্ন রাজ্যের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ছড়িয়ে পড়ছে। একদিকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই, অন্যদিকে বিক্ষোভস্থল নির্ধারণে প্রশাসনের বিধিনিষেধ—দুইয়ের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।
আন্দোলনকারীরা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে অনড় থাকলেও প্রশাসন যন্তর মন্তরের পরিবর্তে অন্য স্থানে বিক্ষোভ আয়োজনের কথা বলছে। পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
এ অবস্থায় রাজনৈতিক বিরোধের পাশাপাশি নাগরিকের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহির প্রশ্ন সামনে এসেছে। আন্দোলন কোন দিকে এগোবে, তা নির্ভর করবে বিরোধীদের পরবর্তী কর্মসূচি, আদালতের পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবস্থানের ওপর।



