কিন্তু ইলিয়টগঞ্জ পার হতেই সামনে গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখতে পাই। সকাল ৭টা থেকে এক জায়গাতেই বসে আছি।
মো. মহিউদ্দিন নামে অপর এক যাত্রী জানান, মহাসড়কে কয়েকদিন ধরে যানজটের খবর পাচ্ছিলাম। ভেবেছিলাম একটু সকাল সকাল বের হলে আরামে ঢাকায় পৌঁছাতে পারব।কিন্তু এখন এমন যানজটের কবলে পড়েছি, কখন মুক্তি পাব জানি না। ভ্যাপসা গরমে দুর্ভোগ আরো বেড়েছে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, ভোরে মেঘনা-গোমতী সেতুর কাছাকাছি একটি ট্রাক উল্টে গেলে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে গাড়িটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভোর থেকে এ যানজট শুরু হয়। এ নিয়ে টানা তিন দিন ভোরবেলা থেকে শুরু করে দিনের একটি বড় সময় যানজটের কবলে পড়েছেন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রীরা।
সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) কুমিল্লার সাবেক সভাপতি বদরুল হুদা জেনু বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় যাচ্ছিলাম। কুমিল্লা থেকে দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত গাড়ি স্বাভাবিকভাবে চলছিল।



