tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকট্রাম্পের হুমকি

ট্রাম্পের হুমকি

কাতারের এলএনজি স্থাপনায় হামলা হলে ইরানের পুরো গ্যাসক্ষেত্র উড়িয়ে দেবো

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান যদি কাতারের এলএনজি স্থাপনাগুলোতে আবার হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাউথ পারস গ্যাসক্ষেত্র পুরোপুরি ধ্বংস করে দেবে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, সাউথ পারস গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকে কিছুই জানতো না। এমনকি কাতারও এ বিষয়ে অবগত ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।ট্রাম্প আরও বলেন, ইসরায়েল আর এই গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালাবে না, যদি না ইরান ‘নিরীহ’ কাতারের ওপর আক্রমণ চালায়।মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের সহায়তা থাকুক বা না থাকুক, এমন শক্তি প্রয়োগ করবে যা ইরান আগে কখনো দেখেনি।’

হামলা ও পাল্টা হামলা

গত বুধবার (১৮ মার্চ) ইরানের সাউথ পারস গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালায় ইসরায়েল। এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এর ‘নিয়ন্ত্রণহীন পরিণতি’ পুরো বিশ্বকে গ্রাস করতে পারে।

পরে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনাগুলোয় পাল্টা হামলা চালায়। এতে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিক জ্বালানি স্থাপনা।ইরানের হামলায় কাতারের প্রধান গ্যাসক্ষেত্র রাস লাফান ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় কাতার তাদের দেশ থেকে ইরানি সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের অবিলম্বে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছে।অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত আবুধাবির হাবশান গ্যাস স্থাপনা বন্ধ করে দিয়েছে। সৌদি আরবের দুটি তেল শোধনাগারেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। রিয়াদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের ওপর অবশিষ্ট সামান্যতম বিশ্বাসও এখন সম্পূর্ণভাবে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।