জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত আন্দোলন দমন করতে সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ৩ লাখ ৫ হাজারেরও বেশি রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এর মধ্যে শুধু ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাতেই ছোড়া হয় ৯০ হাজারের বেশি রাউন্ড গুলি। শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ তথ্য উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর), মামলার দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর সাক্ষ্য দেন। তিনি মামলার ৫৪তম এবং শেষ সাক্ষী।
আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের নৃশংসতার প্রমাণ হিসেবে একটি ভিডিও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়, যা সরাসরি সম্প্রচারও করা হয়। একইসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি ও সাক্ষ্যও সরাসরি সম্প্রচারে প্রচারিত হয়।
প্রসিকিউশনের দাবি, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো উস্কানি বা তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা না থাকা সত্ত্বেও পরিকল্পিতভাবে মারণাস্ত্র ব্যবহার করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
অন্যদিকে, জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধে জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৪ অক্টোবর নির্ধারণ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। কুষ্টিয়ায় সাতজনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। একইসঙ্গে রংপুরের বেরোবি শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণও চলছে একই ট্রাইব্যুনালে।



