সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গতকাল বুধবার একটি খবর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, যা অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। খবরটি ছিল—জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবি পরিচালক খালেদ মাসুদ পাইলট নাকি জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
যদিও সংবাদটিতে কোথাও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কিংবা পাইলটের নিজের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ছিল না, তারপরও বিষয়টি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকে জানতে চান—পাইলট কি সত্যিই রাজনীতিতে যুক্ত হচ্ছেন? তিনি কি জামায়াতের রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন?
এ খবরটি পাইলটের নজর এড়ায়নি। জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপে তিনি এ বিষয়ে পরিষ্কার মন্তব্য করেন। জাতীয় দলের সাবেক উইকেটকিপার অধিনায়ক ও বিসিবি পরিচালক পাইলট বলেন,
‘আমি ক্রীড়ানুরাগী মানুষ। জন্ম থেকেই ক্রীড়া পরিবারের সদস্য আমি। আমার বাবা ছিলেন জাতীয় ফুটবলার। আমিও দীর্ঘদিন জাতীয় দলে খেলেছি, অধিনায়কত্ব করেছি। এখন বিসিবি পরিচালক হিসেবে দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে কাজ করছি। আপাতত রাজনীতিতে জড়ানোর কোনো ইচ্ছাই নেই। সব রাজনৈতিক দলের প্রতি সমান শ্রদ্ধা রেখেই বলছি—এই মুহূর্তে কোনো রাজনৈতিক দলে যোগদানের প্রশ্নই আসে না। রাজনীতি নিয়ে ভাবছিও না।’
ক্রিকেটই যে তার মূল মনোযোগ, সেটিও স্পষ্ট করে বলেন তিনি,
‘আমার সার্বক্ষণিক চিন্তা এখন খেলাধুলাকে ঘিরে—বিশেষ করে ক্রিকেট। কীভাবে দেশের ক্রিকেট আরও এগিয়ে যেতে পারে, সেটাই ভাবি। মাত্রই বিসিবির সঙ্গে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছি উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে। এই অবস্থায় রাজনীতিতে জড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না—সম্ভাবনাও নেই।’
পাইলট আরও বলেন,
‘হ্যাঁ, বিসিবির বাইরে বিভিন্ন সংগঠনের অনুষ্ঠানে আমি অংশ নিতে পারি। যেমন আগামীকাল ২৮ নভেম্বর আমি একটি খেলাধুলা বিষয়ক অনুষ্ঠানে যাচ্ছি। এখন সেটাকে দেখে যদি কেউ আমাকে কোনো দলের ব্যানারের মানুষ মনে করেন, তাহলে আমার বলার কিছু থাকবে না। আশা করি, বিসিবির বাইরের নানা অনুষ্ঠানেও আমরা সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অংশ নেই—সেগুলোর সঙ্গে রাজনীতি জুড়ে দেওয়া ঠিক নয়।’



