tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদরাজনীতিগণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গত বছরের জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট স্বৈরশাসনের পতন ঘটে। এখন তাই বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের রাষ্ট্র মেরামতের ভিত্তি হবে অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, বিচার বিভাগ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের মৌলিক নীতির প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োগ।

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র একটি সর্বজনীন মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক পদ্ধতি। জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিসর নির্ধারণে স্বাধীনভাবে প্রকাশিত ইচ্ছা এবং জীবনের সকল ক্ষেত্রে পূর্ণ অংশগ্রহণের ভিত্তিতেই এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন একদলীয় বাকশালের থাবা থেকে। তার কালজয়ী দর্শন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্র। আর প্রকৃত গণতন্ত্রের ভিত হলো মানবিক মর্যাদা, ব্যক্তি ও বাক-স্বাধীনতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সাম্য। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ চিন্তাধারাকে এগিয়ে নিয়েছিলেন, যার জন্য তাকে বারবার স্বৈরতন্ত্রের আঘাত সহ্য করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বারবার দেশে স্বৈরতন্ত্র হানা দিয়েছে—রাজনৈতিক দল ও সংবাদপত্র নিষিদ্ধ করা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা দমন, ভুয়া ভোটার দিয়ে নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের মাধ্যমে এক ভয়ঙ্কর কর্তৃত্ববাদী পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছিল। গত দেড় দশক আওয়ামী ফ্যাসিবাদের কারণে গণতন্ত্র বন্দী হয়ে ছিল, আর যেকোনো গণতান্ত্রিক প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে দমন করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য— “এ্যাচিভিং জেন্ডার ইকুইলিটি একশন বাই একশন”। এ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রে নারী-পুরুষসহ সব লিঙ্গের মানুষের সমান সুযোগ ও মর্যাদা নিশ্চিত হয়। এটি মৌলিক মানবাধিকার। প্রকৃত গণতান্ত্রিক সমাজে বৈষম্য টেকসই হতে পারে না এবং ক্রমান্বয়ে সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা পায়।

অপর এক বাণীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশবাসী গত বছর জুলাই-আগস্টে ঐতিহাসিক আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরশাসনের পতন ঘটালেও পূর্ণ গণতন্ত্র এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি বলেন, অবাধ, মুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন গণতন্ত্রের অপরিহার্য শর্ত। গণতন্ত্রকে স্থায়ী রূপ দিতে হলে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ধারাবাহিকতা, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, সর্বজনীন শিক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।