tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকখামেনির বাঙ্কার ধ্বংসে ৫০টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল

খামেনির বাঙ্কার ধ্বংসে ৫০টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল

ইরানের রাজধানী তেহরানে শুক্রবার (৬ মার্চ) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়ে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিশাল আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকার ধ্বংস করেছে। আইডিএফের দাবি, প্রায় ৫০টি যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে অন্তত ১০০টি বোমা নিক্ষেপ করা হয়। বাংকারটি তেহরানের কেন্দ্রস্থলে ইরানি শাসনব্যবস্থার মূল কমপ্লেক্সের নিচে অবস্থিত ছিল।

প্রকাশিত ভিডিও ও আকাশচিত্রে দেখা গেছে, খামেনির কমপ্লেক্সের ওপর একের পর এক বোমা আঘাত হানছে এবং বিস্ফোরণের ধোঁয়া তেহরানের আকাশ ঢেকে দিয়েছে। আইডিএফ জানায়, বাংকারটি খামেনি যুদ্ধের সময় নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে তৈরি করেছিলেন, তবে তার ব্যবহার হয়নি। খামেনির মৃত্যুর পরও জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তারা এই সুড়ঙ্গপথ ব্যবহার করে আসছিলেন।

শুক্রবার ইসরায়েল লেবাননের রাজধানী বৈরুতেও বিমান হামলা চালিয়েছে, যা ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতির পর লেবাননে সবচেয়ে বিধ্বংসী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইসরায়েলি বাহিনী সতর্কতা জারি করার পর হাজার হাজার মানুষ পালিয়ে গেছে। ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সমুদ্রপথেও সংঘাত বাড়ছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা একটি ইরানি ‘ড্রোন ক্যারিয়ার’ জাহাজে হামলা চালিয়েছে। ‘আইআরআইএস শহীদ বাঘেরি’ নামের এই ১৮০ মিটার দীর্ঘ জাহাজটি ২০২৫ সালে উদ্বোধন করা হয়েছিল। চলতি সপ্তাহে শ্রীলঙ্কা উপকূলে একটি ইরানি ফ্রিগেট ডুবিয়ে ৮৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলার জবাবে ইরান কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। কাতার ও বাহরাইনেও ইরানি হামলা প্রতিহত করা হয়েছে।

চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১,২৩0 জন ইরানি, ১২০ জন লেবাননি ও অন্তত ১২ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। কুয়েতে ৬ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সতর্ক করে বলেছেন, সংঘাতের তীব্রতা আগামী দিনগুলোতে আরও বেড়ে যেতে পারে। বর্তমানে এর প্রভাব বৈশ্বিক আকাশপথ ও তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় মারাত্মক সংকট সৃষ্টি করছে।

সূত্র: ডেইলি মেইল