tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিককুয়েতের বিমান ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

কুয়েতের বিমান ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

কুয়েতের একটি সামরিক বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। হামলায় কয়েকজন মার্কিন নাগরিক আহত হয়েছেন এবং দুটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য একটি চুক্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলাকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রের বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গ জানায়, কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া ফাতেহ-১১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। তবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ কুয়েতের আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটির ভেতরে গিয়ে পড়ে।

ওই সূত্রের দাবি, ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ঠিকাদার ও কর্মরত সেনাসদস্যসহ অন্তত পাঁচজন সামান্য আহত হয়েছেন। এছাড়া একটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরেকটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিটি ড্রোনের মূল্য প্রায় ৩ কোটি মার্কিন ডলার।

তবে এ ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

এদিকে কুয়েতে হামলার ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র গত ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর থাকা নাজুক যুদ্ধবিরতি আরও দীর্ঘায়িত করার সম্ভাবনা বিবেচনা করছে।

গত ২৯ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানান, তিনি একটি প্রাথমিক চুক্তি নিয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। এ বিষয়ে শুক্রবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠক শেষে কোনো সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ফাতেহ-১১০ একটি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা প্রায় ৫০০ কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরানের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।