tanaka

জন্মদিনে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছার জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...
প্রচ্ছদসারাদেশকলেজছাত্র হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

কলেজছাত্র হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কলেজছাত্র শাহীনুর আলম ওরফে ইকবাল হত্যা মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই ঘটনায় দুই নারীকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে ময়মনসিংহের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—একই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নছ আলী (৬২), তার ভাই মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু (৫১), শামছুল হক (৪৪), গোলাম হোসেনের ছেলে আসিফ রানা নাঈম (২৪), হাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আব্দুল হেলিম (৫১) এবং মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. ফরিদ আহম্মেদ ওরফে বাবু (১৯)।

এ ছাড়া মোছা. খালেদা আক্তার ও মোছা. রেহেনা খাতুনকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ইকবাল ময়মনসিংহ নগরীর রুমডো পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ২০২১ সালের ৩১ মে রাতে তিনি তারাকান্দার পলাশকান্দা টানপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে পাশের একটি চায়ের দোকানে যান। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি।

পরিবারের পক্ষ থেকে খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না মেলায় তার বাবা আব্দুর রউফ তারাকান্দা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর স্থানীয়রা দুর্গন্ধ পেয়ে একটি পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

পরে ৫ জুন পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। পরদিন ইকবালের ভাই সেলিম মিয়া বাদী হয়ে আসিফ রানা নাঈমসহ কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ড. মো. রফিকুল ইসলাম জানান, হত্যার পর ইকবালের মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখা হয়। সন্দেহ এড়াতে সেখানে মৃত শিয়াল ও গোবর ফেলে গাছ লাগানো হয়েছিল।

ঘটনার পাঁচ দিন পর দুর্গন্ধের সূত্র ধরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।