tanaka
প্রচ্ছদশিক্ষাঙ্গনএমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল কবে, যা জা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল কবে, যা জা

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়েছে গত ১৩ সেপ্টেম্বর। নিয়ম অনুযায়ী আবেদন গ্রহণ শেষ হওয়ার পর দ্রুত ফল প্রকাশের কথা থাকলেও এখনো তা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বদলির ফলের অপেক্ষায় থাকা শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ বাড়ছে।

ফল প্রকাশে দেরির কারণ জানতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বদলি প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অবস্থা জানতে টেলিটকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

মাউশির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, টেলিটকের কাছ থেকে আবেদনসংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ স্ট্যাটাস পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে বসবেন। সেখানে আবেদন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি ও অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করা হবে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পরই বদলির ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, টেলিটকের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে স্ট্যাটাস না পাওয়া পর্যন্ত বদলি নিয়ে সভা করা যাচ্ছে না। স্ট্যাটাস পাওয়ার পর সভা হবে এবং এরপর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

১৯৫ পদ নিয়ে নতুন জটিলতা

এদিকে ষষ্ঠ ও সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদার ভিত্তিতে সুপারিশ পাওয়া ১৯৫ শিক্ষককে ইতোমধ্যে প্রতিস্থাপন করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এসব পদে বদলির জন্য আবেদন করেছিলেন বেশ কয়েকজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক।

কিন্তু এনটিআরসিএর প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ায় পদগুলো পূরণ হয়ে যাওয়ায় ওই শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।

মাউশির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ১৯৫টি পদের বিষয়টি অধিদপ্তরের জানা আছে। যেসব শিক্ষক এ কারণে সমস্যায় পড়েছেন, তাদের জন্য বিকল্প প্রতিষ্ঠানে বদলির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের নিজ উপজেলায় অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে পদ খালি থাকলে সেখানে বদলির সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নিজ উপজেলায় সুযোগ না থাকলে একই জেলার অন্য উপজেলায় এবং সেখানেও পদ না পাওয়া গেলে পার্শ্ববর্তী জেলায় বদলির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।

তবে এসব বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মাউশির বৈঠকের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন।