দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হয়েছে নির্বাচনি প্রচারণা। প্রার্থীরা যেরকম নিজেদের এলাকায় দ্বারে দ্বারে গিয়ে জনসংযোগ করেছেন, উপস্থিত ছিলেন তারকারাও। একদিকে যেমন ভবানিপুর আসনের তৃণমূল প্রার্থী মমতা ব্যানার্জী নির্বাচনী কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন, তেমনি এই আসনে প্রচারণা চালিয়ে গেছেন মমতার প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।মমতা, শুভেন্দুর পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি মমতার ভাতিজা অভিষেক ব্যানার্জী, টলিউড অভিনেতা দেব, রচনা ব্যানার্জী, নুসরাত জাহানসহ একাধিক তারকাকে প্রচারণায় দেখা গেছে।এদিন ব্যারাকপুরে একটি নির্বাচনী প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। সেখান থেকে আগাম শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার বার্তা দেন মোদী। তিনি বলেন, আমি যেখানে যেখানে গিয়েছি এবং বাংলার মানুষের মধ্যে যে মেজাজ আমি দেখেছি, তাতে পরিষ্কার যে ৪ মে গণনার পর বিজেপির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমাকে এ রাজ্যেই আসতে হবে। এ কারণে আমার উৎসাহ অনেক বেড়ে গেছে।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনে একটা অন্যরকম অনুভূতি লক্ষ্য করছি। এত গরমের পরেও র্যালির পরেও বাংলার নির্বাচনে আমি একটুও ক্লান্তি অনুভব করিনি। অনেক জায়গায় আমার রোড শো শেষ হওয়ার পরেও বহু লোক উৎসাহের সঙ্গে অপেক্ষা করছিল। হেলিপ্যাডেও একরকম ছবি ছিল। এই রোড শো আমার জন্য রাজনৈতিক কর্মকান্ড নয়, এটা আমার কাছে তীর্থযাত্রার মতো ছিল।মোদী বলেন, বাংলার সেবা করা, বাংলাকে সুরক্ষিত রাখা, বাংলার সামনে থাকা বিরাট চ্যালেঞ্জ থেকে বাংলাকে বাঁচানো আমার একটা দায়িত্ব। আর এই দায়িত্ব থেকে আমি কিছুতেই পিছু হটবোনা। এই নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি গোটা পূর্ব ভারতের ভাগ্য বদলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের ডাক দিয়ে মোদি বলেন, বিগত দিনে আমরা বিহার এবং ওড়িশ্যাতে সরকার গঠন করেছি, সেখানে পদ্মফুল ফুটেছে। এবার বাংলাতেও পদ্মফুল ফুটতে চলেছে।
নির্বাচনি প্রচারণা থেকে তৃণমূলকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, তৃণমূলের কাছে বাংলার ভবিষ্যতের কোনো রোড ম্যাপ নেই। বাংলাকে কোথায় নিয়ে যাবে, বাংলার মানুষের জন্য কি করবে তৃণমূল এটাও বলে না। কারণ এদের কাছে কোন ভিশন নেই। এই তৃণমূলকে কি আপনারা ভোট দেবেন?



