tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের উত্তেজনা চরমে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের উত্তেজনা চরমে

আরব উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক চরম উত্তেজনায় পৌঁছেছে। দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়লেও যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে আঞ্চলিক শক্তিগুলো। এর মধ্যেই চলতি সপ্তাহে তেহরানকে লক্ষ্য করে নতুন করে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনায় ফেরার জন্য ইরানের হাতে আর বেশি সময় নেই—এমন সতর্কবার্তা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলা অভিযানের আগে ভূমধ্যসাগরে যে নৌ শক্তি মোতায়েন করা হয়েছিল, তার চেয়েও শক্তিশালী নৌবহর বর্তমানে ইরানের আশপাশে অবস্থান করছে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, ‘ট্রিগারে আঙুল রেখে’ যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলার তাৎক্ষণিক জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের ওপর আঘাত এলে তার জবাব সঙ্গে সঙ্গেই দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত বছর ইরান-ইসরাইলের ১২ দিনের যুদ্ধে একপর্যায়ে তেহরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। সেই ঘটনার সাত মাস না যেতেই আবারও যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে দুই দেশ। এবার আগেভাগেই প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি জোরদার করেছে ইরান। ইতিমধ্যে কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ আল উদেইদ বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকিও দিয়েছে তেহরান। গত বছরের সংঘাতে ইরান ইসরাইলের একাধিক শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল।