tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদজাতীয়ইরান আক্রান্ত হলে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে: রাষ্ট্রদূত

ইরান আক্রান্ত হলে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে: রাষ্ট্রদূত

ইরান কোনো অবস্থাতেই যুদ্ধ চায় না। তবে আক্রান্ত হলে জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি জাহানাবাদি।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে ঢাকায় ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরানে ব্যবসায়ীদের আন্দোলন এবং পরবর্তী সহিংসতায় হতাহতের ঘটনায় ঢাকায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাষ্ট্রদূত। এ সময় তিনি দেশটির চলমান পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ইরান যুদ্ধের পক্ষে নয়। তবে জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার ইরানের রয়েছে।’

তিনি জানান, অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে শুরু হওয়া ব্যবসায়ীদের আন্দোলনকে সরকার প্রথমদিকে স্বাগত জানিয়েছিল। আন্দোলনটি শান্তিপূর্ণ ও ইরানের বিদ্যমান আইনের আওতায় বৈধ ছিল। তবে পরবর্তীতে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে সহিংসতা শুরু করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।

রাষ্ট্রদূতের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি চাপে রয়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে রিয়ালের মান দুর্বল হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ব্যবসায়ী, বিশেষ করে আমদানিকারকরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ শুরু করেন। কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যেই একটি পক্ষ সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা, পুলিশ স্টেশন এবং আন্দোলনে অংশ না নেওয়া ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

তিনি আরও বলেন, ‘পরবর্তীতে সশস্ত্র একটি গোষ্ঠী আন্দোলনকারীদের ভেতরে ঢুকে পড়ে। তাদের হামলায় শতাধিক পুলিশ সদস্য নিহত হন। নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এসব পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হয়।’

রাষ্ট্রদূত দাবি করেন, নজরদারি ডিভাইসে পাওয়া কথোপকথন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জবানবন্দি এবং বিভিন্ন বিশ্বাসযোগ্য সূত্রের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী নিশ্চিত হয়েছে যে এটি কোনো সাধারণ আন্দোলন ছিল না; বরং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশনায় সরকার পতনের সহিংস পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা ছিল।

বর্তমানে ইরানের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইন্টারনেট সেবাও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।