tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরানের হামলায় ইউক্রেনের ২১ ড্রোন বিশেষজ্ঞ নিহতের শঙ্কা

ইরানের হামলায় ইউক্রেনের ২১ ড্রোন বিশেষজ্ঞ নিহতের শঙ্কা

ইউক্রেনের একটি ড্রোনবিরোধী সরঞ্জাম সংরক্ষণাগারে ইরানের হামলায় অন্তত ২১ জন বিশেষজ্ঞ নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত ওই স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

শনিবার (২৮ মার্চ) তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, দুবাইয়ের একটি ইউক্রেনীয় অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম সংরক্ষণাগারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করা হয়েছে। হামলার সময় সেখানে ২১ জন ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে তাদের মৃত্যুর বিষয়টি এখনও নিশ্চিতভাবে বলা না গেলেও নিহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

আইআরজিসির খাতাম আল আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, দুবাইয়ে মার্কিন সেনা ও কমান্ডারদের অবস্থান লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়। একই অভিযানে ইউক্রেন-সংশ্লিষ্ট একটি অ্যান্টি-ড্রোন গুদামকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তিনি দাবি করেন, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে স্থাপনাটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

মুখপাত্র আরও বলেন, হামলার সময় সেখানে থাকা ইউক্রেনীয়দের ভাগ্য সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না মিললেও তাদের নিহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এর আগে ইরান দাবি করেছিল, তারা পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করেছে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবোলফজল শেখারচি এ দাবি করেন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) মেহের নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

শেখারচি জানান, অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপিত ১৭টি সামরিক ঘাঁটি ইরানি বাহিনীর হামলায় ধ্বংস হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এসব ঘাঁটি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে মার্কিন বাহিনী।

তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের ১৩ জুন শুরু হওয়া ১২ দিনের ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের পর দেশটি তাদের প্রতিরক্ষা নীতিতে পরিবর্তন এনে আরও আক্রমণাত্মক কৌশল গ্রহণ করেছে।

তবে শেখারচির দাবি, গত ৪৭ বছরে ইরান কোনো দেশকে আক্রমণ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। কিন্তু ইরানের ওপর হামলা হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে এবং শত্রুকে পরাজিত করা হবে।