tanaka

জন্মদিনে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছার জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...
প্রচ্ছদজাতীয়ইমেরিটাস অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম আর নেই

ইমেরিটাস অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম আর নেই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক, খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শুক্রবার, ১০ অক্টোবর বিকেল ৫টায় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম।

জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে ধানমন্ডি থেকে রওনা হওয়ার সময় গাড়িতে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। গাড়িচালক ও এক পথচারীর সহায়তায় তাঁকে নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে ল্যাবএইড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে চিকিৎসকেরা জানান—তিনি ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক’-এ আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাঁর হৃদ্‌যন্ত্রে স্টেন্ট প্রতিস্থাপন করা হয়।

পরবর্তীতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসে পানি জমে যাওয়ার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ৬ অক্টোবর রোববার সন্ধ্যায় তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা লাইফ সাপোর্টে থাকার পর সাময়িক উন্নতি দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত তিনি আর ফিরে আসেননি।

সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের স্বজনরা জানিয়েছেন, তাঁর মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আগামীকাল শনিবার সকাল ১১টায় তাঁর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ জোহর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তীতে তাঁকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হতে পারে।

সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ১৯৫১ সালে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন এবং কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি শুধু একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে নয়, একজন সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও বুদ্ধিজীবী হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে অধ্যাপনায় যুক্ত হন। ২০২৩ সালে তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে সম্মানিত করা হয়।

বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও একুশে পদকে ভূষিত হন।

তাঁর মৃত্যুতে দেশের সাহিত্য ও শিক্ষাজগতে অপূরণীয় ক্ষতি হলো।