tanaka

মেরুল বাড্ডায় রাজউকের দেড় হাজার কোটি টাকার জমি ২১ বছর ধরে দখলে

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় রাজউকের প্রায় ১১ একর জমি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমিটির বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। একই জমিকে ঘিরে প্রায় ছয় হাজার মানুষের কাছ থেকে ৩০০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
প্রচ্ছদখেলাআয়ের দিক থেকে অনন্য উচ্চতায় রিয়াল মাদ্রিদ

আয়ের দিক থেকে অনন্য উচ্চতায় রিয়াল মাদ্রিদ

আর্থিক শক্তিমত্তার দিক থেকে ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ২০২৫-২৬ মৌসুমে ক্লাবটির বার্ষিক পরিচালন আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.২২১ বিলিয়ন ইউরোতে। এর মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১.২ বিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় করার ইতিহাস গড়েছে স্প্যানিশ ক্লাবটি।

এই আয়ের হিসাবে খেলোয়াড় বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, আগের মৌসুমের তুলনায় রিয়াল মাদ্রিদের আয় বেড়েছে ৩.১ শতাংশ।

একই সময়ে ডেলয়েট ফুটবল মানি লিগের তালিকাতেও ইউরোপের সর্বোচ্চ আয়কারী ক্লাব হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদ। তালিকায় তাদের পরেই রয়েছে বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ, পিএসজি ও লিভারপুল।

বিশ্লেষকদের মতে, রিয়ালের বর্তমান আর্থিক সাফল্যের মূল ভিত্তি শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয়; বরং স্টেডিয়ামের বাণিজ্যিক ব্যবহার, বিপণন কার্যক্রম এবং স্পনসরশিপ থেকে আসা আয়। এসব খাত থেকেই বর্তমানে ক্লাবটির আয়ের বড় অংশ আসে।

২০১৮-১৯ মৌসুমে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামের আধুনিকায়ন শুরুর আগে রিয়াল মাদ্রিদের বার্ষিক আয় ছিল ৭৫৭ মিলিয়ন ইউরো। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.২২১ বিলিয়ন ইউরোতে, যা প্রায় ৬১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।

অতিরিক্ত এই আয়ের ৯৩ শতাংশই এসেছে ক্লাবের নিজস্ব বাণিজ্যিক উৎস থেকে। স্টেডিয়াম সংস্কারের সুফলও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। বার্নাব্যু থেকে আয় ১০৭ শতাংশ বেড়ে ৩৬৩ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

একই সময়ে বিপণন ও স্পনসরশিপ খাত থেকে আয় বেড়ে হয়েছে ৫৩৯ মিলিয়ন ইউরো, যা আগের তুলনায় ৮২ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে টেলিভিশন সম্প্রচারস্বত্ব ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ১১ শতাংশ।

চলতি মৌসুমে স্টেডিয়ামভিত্তিক আয় আরও ১১ শতাংশ এবং বিপণন খাতের আয় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্লাবের দাবি, সংস্কার করা বার্নাব্যু, নতুন বাণিজ্যিক অংশীদার এবং স্পনসরশিপ চুক্তিই এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির প্রধান কারণ।

বার্নাব্যুর পুনর্নির্মাণ প্রকল্পে এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১.৪০৮ বিলিয়ন ইউরো। প্রকল্পটি এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ক্লাব জানিয়েছে, আধুনিকায়নের পর স্টেডিয়ামটি আগের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি আয় করছে।

আর্থিক প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, খেলোয়াড়দের বেতন ও চুক্তিসংক্রান্ত ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। স্কোয়াড পরিচালনায় ব্যয় হয়েছে ৬১৮ মিলিয়ন ইউরো, যা মোট আয়ের ৪৬ শতাংশ এবং ক্লাবের নির্ধারিত ৫০ শতাংশ সীমার নিচে রয়েছে।

গত মৌসুমে খেলোয়াড় কেনার পেছনে রিয়ালের ব্যয় ছিল ১৬১ মিলিয়ন ইউরো। পাশাপাশি অবকাঠামো ও প্রযুক্তি উন্নয়নে আরও ১৯২ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করেছে ক্লাবটি।

বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদের নিট সম্পদের পরিমাণ ৬২৪ মিলিয়ন ইউরো। ক্লাবটির হাতে রয়েছে ৮৩ মিলিয়ন ইউরো নগদ অর্থ। স্টেডিয়াম নির্মাণ-সংক্রান্ত ঋণ বাদ দিলে তাদের নিট ঋণের পরিমাণ মাত্র ৯ মিলিয়ন ইউরো।