tanaka

জন্মদিনে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছার জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকআরও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

আরও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে টানাপোড়েন অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়ছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরুর সময়ও এই ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে।

Al Jazeera–এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এদিন এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরুর সময় ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ৭৫ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড তেলের দামও ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা চলমান থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের সমালোচনা করে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তারা ‘খুব খারাপ কাজ করছে’। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, জাহাজ থেকে কোনো ধরনের ফি আদায়ের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ করতে হবে।

এদিকে সাম্প্রতিক হামলায় সৌদি আরবের তেল উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম Saudi Press Agency জানিয়েছে, এসব হামলার ফলে প্রতিদিন প্রায় ৬ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমে গেছে। পাশাপাশি ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল পরিবহনও দৈনিক প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল কমে গেছে।

যুদ্ধবিরতির খবরে বাজারে কিছুটা ওঠানামা দেখা গেলেও সাধারণ মানুষের নাগালে জ্বালানির দাম ফিরে আসতে এখনো সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতেও সময় লাগবে।

সংকটের প্রধান কারণগুলো—

হরমুজ প্রণালি ও সরবরাহ জটিলতা: বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয় এই পথ দিয়ে। যুদ্ধের সময় এটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল। আংশিকভাবে চালু হলেও সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগছে।

ট্যাংকার সংকট ও দূরত্ব: যুদ্ধের কারণে তেলবাহী ট্যাংকারগুলো মধ্যপ্রাচ্য থেকে দূরে ছড়িয়ে পড়েছে। এগুলো পুনরায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ফিরে এসে তেল লোড করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে।

নিরাপত্তা ঝুঁকি: মাত্র দুই সপ্তাহের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যে বড় বিনিয়োগ বা জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি নিতে অনেক কোম্পানিই এখনো অনাগ্রহী।

তেলকূপ চালুর কারিগরি চ্যালেঞ্জ: দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকায় এবং তীরবর্তী মজুতাগার পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় অনেক তেলকূপ বন্ধ করতে হয়েছে, যা পুনরায় চালু করা জটিল।

ধীর পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া: তেলকূপ বা রিফাইনারি পুনরায় চালু করা সহজ নয়; এটি সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া।

অবকাঠামোগত ক্ষতি: যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি স্থাপনা মেরামতে দীর্ঘ সময়, এমনকি কয়েক বছরও লেগে যেতে পারে।