পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) অতীতের অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির চিত্র তুলে ধরে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, একসময় পিএসসিকে অনেকেই নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির মতো ব্যবহার করতেন। তিনি জানান, আগের সময়ে পিএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ভাইভায় পক্ষপাতিত্ব এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে চাকরিপ্রদান ছিল বেশ প্রচলিত। এমনকি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও অনেক প্রার্থী পুলিশ ভেরিফিকেশনের অজুহাতে বাদ পড়তেন, যদি তারা ক্ষমতাসীন দলের ঘরানার না হতেন।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের রূপান্তর: অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও সামনে এগোনোর পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ আয়োজন করে পিএসসি।
তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে পিএসসিতে যেসব অনিয়ম ঘটেছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল কোটার অপব্যবহার, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং ভাইভায় দুর্নীতি। এসবের ফলে পিএসসির প্রতি জনগণের আস্থা হ্রাস পায়।
পিএসসির বর্তমান সংস্কার কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন, এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী উদ্যোগ। তিনি যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থীদের জন্য একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। এ ছাড়া, একটি বিসিএস পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়া এক বছরের মধ্যে শেষ করা উচিত বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।



