tanaka

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের নিয়োগ নবায়ন

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকঅন্যদেশের সরকার পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সমাপ্তি হয়েছে: তুলসী গ্যাবার্ড

অন্যদেশের সরকার পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সমাপ্তি হয়েছে: তুলসী গ্যাবার্ড

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে ভিন্ন দেশের সরকার পরিবর্তন বা ‘রেজিম চেঞ্জ’ নীতির অবসান ঘটেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড। সম্প্রতি বাহরাইনে অনুষ্ঠিত ‘মানামা ডায়ালগ’ নিরাপত্তা সম্মেলনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বার্তাসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানায়, গ্যাবার্ডের এই বক্তব্য ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সফরে দেওয়া বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি। দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র সম্প্রসারণ যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির অন্যতম অঙ্গ হলেও, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে গুরুত্ব পাচ্ছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা। এর মধ্যে রয়েছে— গাজা উপত্যকায় ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের ১২ দিনের যুদ্ধের অবসান ঘটানো।

তুলসী গ্যাবার্ড বলেন, “দশকজুড়ে আমাদের বৈদেশিক নীতি রেজিম চেঞ্জ বা রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ব্যর্থ চক্রে আবদ্ধ ছিল। শাসক পরিবর্তনের মাধ্যমে আমাদের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা অন্য দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় মিত্রের চেয়ে শত্রুই বেশি তৈরি হয়েছে।”

হাওয়াইয়ের সাবেক কংগ্রেস সদস্য এবং ইউএস আর্মি ন্যাশনাল গার্ডের সাবেক এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “এই নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে, অসংখ্য প্রাণহানি ঘটেছে, আর সৃষ্টি হয়েছে বৃহত্তর নিরাপত্তা হুমকি।”

গ্যাবার্ডের এই মূল্যায়ন ট্রাম্পের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতিতে প্রতিফলিত হয়। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি হয়, যা বাইডেন প্রশাসনের সময়ে ২০২১ সালে বিশৃঙ্খলভাবে শেষ হয়। এছাড়া, ট্রাম্প সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারাকে গ্রহণ করেছিলেন, যিনি একসময় আল-কায়দার সদস্য ছিলেন এবং ইরাকে আমেরিকান কারাগারে বন্দী ছিলেন।

তবে গ্যাবার্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ আমেরিকায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন, মাদকবিরোধী অভিযানে জাহাজে হামলা এবং ভেনেজুয়েলায় গোপন অভিযানের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের নীতি এখনও নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।

তিনি বলেন, “গাজায় যুদ্ধবিরতি এখনও ভঙ্গুর। সামনের পথ সহজ নয়, তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই পথে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”