tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতিমায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে লন্ডনের হাসপাতালে ছুটে যান তারেক রহমান

মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে লন্ডনের হাসপাতালে ছুটে যান তারেক রহমান

মায়ের গুরুতর অসুস্থতার খবর পেয়ে লন্ডনের একটি হাসপাতালে ছুটে গেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকা থেকে জানানো হয়, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। শরীরে জটিলতা বাড়ায় চিকিৎসক দল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ সংবাদ পাওয়ার পরই স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে তারেক রহমান ‘লন্ডন ক্লিনিক’-এ পৌঁছান।

সেখানকার চিকিৎসকদের তিনি খালেদা জিয়ার বিস্তারিত শারীরিক অবস্থা জানান। পরবর্তীতে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকদেরও যুক্ত করা হয় আলোচনায়। দুই দেশের চিকিৎসকদের যৌথ পরামর্শে চিকিৎসা কৌশল নির্ধারণ করা হয়। এ চিকিৎসা প্রয়োগের পর খালেদা জিয়ার অবস্থা আর অবনতি না হয়ে কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও এই লন্ডন ক্লিনিকেই চিকিৎসা নিয়েই সুস্থ হয়ে দেশে ফিরেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন। শনিবার রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক ব্রিফিংয়ে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, তিন দিন ধরে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত আছে এবং চিকিৎসকদের দেওয়া ওষুধ শরীরে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।

দলীয় সূত্র বলছে, মায়ের গুরুতর অসুস্থতার পর থেকেই ঢাকা ও লন্ডনের চিকিৎসকদের সমন্বয়ের কাজ করছেন তারেক রহমান। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান। সূত্র আরও জানিয়েছে, আপাতত বেগম জিয়ার চিকিৎসাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

গত ২৩ নভেম্বর বেগম খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তার অবস্থা সংকটাপন্ন। এরপর থেকেই দলীয় নেতাকর্মীসহ সারা দেশের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তার সুস্থতার জন্য মানুষ দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে দোয়া ও প্রার্থনা করছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীকে দোয়া প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস। এদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ হাসপাতালে এসে তার খোঁজখবর নিচ্ছেন। দেশের কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রতি এমন সার্বজনীন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এর আগে খুব কমই দেখা গেছে।