tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ‘ঐতিহাসিক’: সরকারের বিবৃতি

হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ‘ঐতিহাসিক’: সরকারের বিবৃতি

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়কে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সর্বস্তরের জনগণকে শান্ত, সংযত ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড একটি ঐতিহাসিক রায়। রায়ের গভীর তাৎপর্য উপলব্ধি করে সবাইকে শান্ত, সংযত ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।”

রায়-পরবর্তী সময়ে কোনো ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা, উত্তেজনাপ্রসূত আচরণ, সহিংসতা বা আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “জনগণের, বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্বজনদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত রায়কে ঘিরে আবেগ সৃষ্টি হতে পারে। তবে সেই আবেগের বশবর্তী হয়ে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না। যে কোনো ধরনের অরাজকতা বা বিশৃঙ্খলা কঠোরভাবে দমন করা হবে।”

গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, দীর্ঘ দেড় দশক দেশের ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনা জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে আছেন। তিনিই বাংলাদেশের প্রথম সাবেক প্রধানমন্ত্রী, যাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হলো।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে রায় ঘোষণায় অংশ নেন আরও দুই বিচারক: মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। আদালত একইসঙ্গে তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে।

মামলার তৃতীয় আসামি এবং সেই সময়ের আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন দায় স্বীকার ও রাজসাক্ষী হওয়ায় তাকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।