tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

আজ ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।

১৯৭৫ সালের এই দিনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ জনগণের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে। ইতিহাসের এই দিনেই শুরু হয় বাংলাদেশের নতুন যাত্রা।

সেদিন রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের নানা প্রান্তের রাস্তায় নেমে আসে হাজারো মানুষ। উদযাপিত হয় সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যার পরপরই রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ওইদিন জাতি আবারও শুনেছিল সেই পরিচিত কণ্ঠ— “আমি জিয়া বলছি।” মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে স্বাধীনতার আহ্বান শোনানো সেই কণ্ঠে আবারও ভেসে আসে আশার বার্তা। মুহূর্তেই জেগে ওঠে ১৯৭১-এর মুক্তির প্রেরণা, স্বস্তি ফিরে আসে জাতির প্রাণে।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে সৈনিক ও সাধারণ মানুষ একসাথে শ্লোগান তোলে— “সিপাহী-জনতা ভাই ভাই”, “বাংলাদেশ জিন্দাবাদ”, “মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান জিন্দাবাদ”, “সিপাহী-জনতা এক হও।” এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচিত হয়, যা পরবর্তীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পরিচিতি পায়।

১৯৭৫ সালের এই দিনেই তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান দেশকে ভূরাজনৈতিক, সম্প্রসারণবাদী ও নব্য ঔপনিবেশিক ষড়যন্ত্রের জাল থেকে মুক্ত করেন। দেশপ্রেমিক বিপ্লবী সৈনিক ও জনগণের সম্মিলিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদের পরাস্ত করে তিনি নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

৭ নভেম্বরের পর থেকে আত্মমর্যাদা ও জাতীয় চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারা ও সংস্কৃতির বিকাশ শুরু হয়। নতুন ভোরের সেই যাত্রার নায়ক হয়ে ওঠেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—

  • সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে দলীয় পতাকা উত্তোলন।
  • সকাল ১০টায় মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ।
  • বিকেল ৩টায় নয়াপল্টন থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে র‌্যালি।
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও অন্যান্য কর্মসূচি।

এছাড়াও দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন পৃথক কর্মসূচি নিয়েছে—

  • জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল: ৫ নভেম্বর আলোচনা সভা।
  • জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল: ৭ ও ৮ নভেম্বর টিএসসিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও ৮ নভেম্বর আলোচনা সভা।
  • ওলামা দল: ৯ নভেম্বর এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ।
  • তাঁতীদল: ১০ নভেম্বর আলোচনা সভা।
  • কৃষকদল: ১১ নভেম্বর আলোচনা সভা।
  • জাসাস: ১৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এ ছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় উদ্যোগে ১২ নভেম্বর দুপুর ২টায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।