tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতিনভেম্বরে গণভোটসহ নানা দাবিতে ইসিতে ৮ দলের স্মারকলিপি

নভেম্বরে গণভোটসহ নানা দাবিতে ইসিতে ৮ দলের স্মারকলিপি

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠা ও আগামী নভেম্বরে গণভোট আয়োজনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিসসহ আটটি রাজনৈতিক দল।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে দলগুলোর নেতারা এ স্মারকলিপি জমা দেন। মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে মার্কেট সংলগ্ন সড়কে ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চ করে আয়োজিত এ সমাবেশে শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সাংবিধানিক আদেশ জারি করে নভেম্বরে গণভোট আয়োজন করতে হবে। সংসদ নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে ইসিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায়, আগের নির্বাচন কমিশনের মতো বর্তমান কমিশনকেও পরিণতি ভোগ করতে হবে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি—এই আটটি দল ৫ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছে।

এর আগে ১৯ অক্টোবর এই জোট জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, নভেম্বরে গণভোট আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে আন্দোলনের চতুর্থ পর্ব ঘোষণা করে তিন দিনের কর্মসূচি দেয়।

ইসলামী আন্দোলনের নেতারা বলেন, সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করতে হবে—এ বিষয়ে কোনো টালবাহানা চলবে না। দাবি মানা না হলে ইসিকে আগের কমিশনের মতোই দায় নিতে হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন।


৮ দলের ৫ দফা দাবি

১. জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে আদেশ জারি এবং নভেম্বরের মধ্যে সেই আদেশের ওপর গণভোট আয়োজন।
২. সংসদে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি চালু।
৩. সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন।
৪. বর্তমান সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
৫. জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা, যাদের তারা ‘স্বৈরাচারের দোসর’ বলে অভিহিত করে।