tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসর্বশেষ সংবাদঅর্থনীতিবাজারে স্বস্তি ফিরছে, কমছে সবজি ও ডিমের দাম

বাজারে স্বস্তি ফিরছে, কমছে সবজি ও ডিমের দাম

পুরোদমে শীত না এলেও বাজারে ইতিমধ্যে দেখা মিলছে শীতকালীন শাকসবজির। সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দামে স্বস্তি ফিরেছে। পাশাপাশি ডিমের দামও কিছুটা কমেছে। তবে তেল, চিনি ও লবণের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, অধিক লাভের আশায় কৃষকরা এখন আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করছেন। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও ভালো হয়েছে। ফলে মৌসুমের শুরুতেই বাজারে এসেছে নানা ধরনের শীতের সবজি। এতে টানা কয়েক সপ্তাহের উর্ধ্বগতির পর সবজির দাম কমতে শুরু করেছে।

রাজধানীর তালতলা, মালিবাগ ও সেগুনবাগিচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শিম বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়, মুলা ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। মানভেদে ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ টাকায়, যদিও আকারে এখনো তুলনামূলক ছোট। লাউয়ের দামও ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।

ক্রেতারা বলছেন, সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় বাজারের তেজ কিছুটা কমেছে। শীতের নতুন সবজি দাম তুলনামূলক বেশি হলেও কিনতে ভালো লাগছে। ক্রেতা এনামুল হোসেন বলেন, “গত সপ্তাহে শিম কিনেছি ২০০ টাকায়, আজ কিনলাম ১২০ টাকায়। মুলা আর কপির দামও প্রায় ২০ টাকা কমেছে।”

বিক্রেতাদের মতে, শীতের সবজির প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে। আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে সরবরাহ আরও বাড়লে দাম আরও কমবে। ইতিমধ্যে গরমের সময়কার সবজিগুলোর দামও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। বাজারভেদে প্রতি কেজি লম্বা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০–৯০ টাকায়, আর গোল বেগুন ১০০–১২০ টাকায়—যা দুই সপ্তাহ আগেও ছিল ১৫০ টাকা। এছাড়া চিচিঙ্গা, করলা, ঝিঙ্গা, ধুন্দল ও পটল বিক্রি হচ্ছে ৬০–৮০ টাকায়, পেঁপে ৩০–৩৫ টাকায় এবং বরবটি ৯০–১০০ টাকায়।

অন্যদিকে, আলুর দাম এখনো তুলনামূলক স্থিতিশীল—প্রতি কেজি ২৫–৩০ টাকা। পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়।

গত সপ্তাহে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম হঠাৎ বেড়ে গেলেও তা এখন কিছুটা কমেছে। কয়েক দিন আগে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছিল ১৫০ টাকায়, বর্তমানে বেশিরভাগ বাজারে তা নেমে এসেছে ১৪০ টাকায়। তবে কিছু পাড়া-মহল্লার দোকানে এখনো ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।