বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি বিবিসি বাংলার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজি ও দখলের অভিযোগ নিয়ে মন্তব্য করেছেন। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিবিসির সম্পাদক মীর সাব্বির ও সিনিয়র সাংবাদিক কাদির কল্লোল।
তারেক রহমান বলেন, “গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে আমাদের প্রায় সাত হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে সবার সঙ্গে যে অভিযোগটি জড়িত তা সত্য নয়। অনেক ক্ষেত্রে অন্য সাংগঠনিক বা পারিবারিক বিষয় জড়িত রয়েছে।”
তিনি উদাহরণ দিয়ে বোঝান, “ধরুন দুই ভাই, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এক ভাই পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী সরকারের এক দোসরের সাহায্য নিয়েছিল, কিন্তু এখন সেই দোসর পালিয়ে গেছে। ফলে সম্পত্তি ফিরে পাওয়া বা হক আদায়ের সময় এক ভাইকে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত করে ভুলভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এমন ঘটনাও আমাদের কাছে প্রচুর এসেছে। এছাড়া স্বৈরাচারের সময় দেশে ৫০ লাখ নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল। অনেকেই তাদের বৈধ সম্পত্তি ফিরে পেতে গিয়ে অনভিপ্রেতভাবে অভিযোগের মুখে পড়েছেন।”
তারেক রহমান আরও বলেন, “যতটুকু অভিযোগ আমরা তদন্ত করেছি এবং সত্যতা পেয়েছি, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশের কাজ রাজনৈতিক দলের নয়। আমাদের প্রশ্ন শুধু এটিই—যাদের কাজ আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, তারা কেন ব্যর্থ?”
তিনি স্পষ্ট করেন, “বিএনপি সরকার গঠনের পরও কোনো নেতাকর্মী অনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত থাকলে, আমরা দল হিসেবে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব। আমাদের কাজ শুধু দলের নীতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।”



