tanaka
প্রচ্ছদলাইফষ্টাইলবিনোদনদেড় কোটি রুপির সেই আংটির নেপথ্যের গল্প জানালেন সামান্থা

দেড় কোটি রুপির সেই আংটির নেপথ্যের গল্প জানালেন সামান্থা

স্বামী রাজ নিদিমোরুর দেওয়া আংটি পছন্দ হয়েছে সামান্থা রুথ প্রভুর। তবে বিয়ের প্রস্তাব পাওয়ার আগ পর্যন্ত আংটির নকশা সম্পর্কে কিছুই জানতেন না দক্ষিণী এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আংটিটি নিয়ে কথা বলেন সামান্থা। তিনি জানান, আংটির নকশা বাছাইয়ে তার কোনো ভূমিকা ছিল না। পুরো বিষয়টি রাজ নিজেই সামলেছেন।

সামান্থা বলেন, আংটিটি বেছে নেওয়ার ব্যাপারে তার কোনো ধারণাই ছিল না। রাজ যখন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন, তখনই প্রথমবার আংটিটি দেখেন তিনি। ফলে আংটির নকশা ও নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত জানতে হলে রাজকেই জিজ্ঞেস করতে হবে বলে জানান অভিনেত্রী।

আংটিটির নেপথ্যেও রয়েছে বিশেষ গল্প। সামান্থা জানান, গ্রিসে কর্মরত এক গয়না ডিজাইনার এটি তৈরি করেছেন। পরে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই ডিজাইনারের নাম থিওডোরোস সাভোপুলোস বলে জানা যায়।

এথেন্সভিত্তিক এই গয়না ডিজাইনার অনন্য নকশার গয়না তৈরির জন্য পরিচিত। তবে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনার বাইরে থাকতেই পছন্দ করেন তিনি। সামান্থার আংটি পরা একটি ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন সাভোপুলোস।

আংটির নকশাও নজর কেড়েছে গয়না-প্রেমীদের। ভারতের সেলিব্রিটি জুয়েলারি বিশেষজ্ঞ প্রিয়াংশী গোয়েলের মতে, রাজ যে হীরার আংটি দিয়ে সামান্থাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন, সেটি লজেন্স-কাট ডিজাইনের। এর মূল্য প্রায় দেড় কোটি রুপি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আংটিতে পোর্ট্রেট-কাট হীরা দিয়ে তৈরি আটটি পাপড়ির নকশা রয়েছে। ভারতীয় গয়নার ইতিহাসে পোর্ট্রেট-কাট হীরার বিশেষ ঐতিহ্য রয়েছে। মুঘল আমলেও এ ধরনের হীরার ব্যবহার দেখা গেছে।

এই ধরনের নকশা তুলনামূলকভাবে বিরল। কারণ খুব অল্পসংখ্যক কারিগর এ ধরনের হীরার নকশা ও গয়না তৈরিতে দক্ষ বলে জানা যায়।

২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর মন্দিরে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন সামান্থা ও রাজ নিদিমোরু। পরে নবদম্পতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিয়ের ছবি প্রকাশ করেন।