বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙেছে ফ্রান্সের। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফরাসিদের হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন।
এই হতাশাজনক পরাজয়ের পরও দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ফাইনালে ওঠার জন্য স্পেনকে অভিনন্দন জানান তিনি। একই সঙ্গে কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বাধীন ফরাসি দলের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসাও করেন।
ম্যাক্রোঁ লেখেন, “যোগ্য দল হিসেবে ফাইনালে ওঠায় স্পেনকে অভিনন্দন। দেশের জার্সির মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার জন্য ‘লে ব্লুজ’দের ধন্যবাদ। আজকের এই পরাজয় মেনে নেওয়া কঠিন, তবে এই দলটি এখনো তরুণ। তাদের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।”
পুরো টুর্নামেন্টে আক্রমণভাগে যে দুর্বলতা ছিল, সেমিফাইনালে এসে সেটি আর দেখা যায়নি স্পেনের খেলায়। দারুণ রক্ষণ, দ্রুতগতির আক্রমণ এবং বলের দখলে আধিপত্য বজায় রেখে শুরু থেকেই ফ্রান্সকে চাপে রাখে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। পুরো ম্যাচজুড়ে স্পেনই ছিল নিয়ন্ত্রণে।
প্রথমার্ধে লামিন ইয়ামালকে ডি-বক্সের ভেতরে ফাউল করেন ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস ডিনিয়ে। এতে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে গোলরক্ষক মাইক মাইগনানকে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারজাবাল।
এর কিছুক্ষণ পর দানি ওলমোর চমৎকার থ্রু-পাস থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফুলব্যাক পেদ্রো পোরো। পুরো ম্যাচে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন তিনিই।
২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে প্রথমবার শিরোপা জয়ের পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন। আগামী রোববার নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী—ইংল্যান্ড বা আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামবে স্প্যানিশরা।



