tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদখেলাআর্জেন্টিনাকেই ফাইনালে চান স্পেন কোচ দে লা ফুয়েন্তে

আর্জেন্টিনাকেই ফাইনালে চান স্পেন কোচ দে লা ফুয়েন্তে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চ প্রস্তুত। প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে দাপটের সঙ্গে হারিয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। এখন তাদের প্রতিপক্ষ নির্ধারণ হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের ফলাফলে।

এরই মধ্যে স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে জানিয়েছেন, ফাইনালে তিনি আর্জেন্টিনাকেই প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখতে চান। কারণ, আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে তার রয়েছে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক।

স্কালোনি যখন রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনে কোচিং কোর্স করছিলেন, তখন তার প্রশিক্ষক ছিলেন দে লা ফুয়েন্তে। সেই স্মৃতির কথা তুলে ধরে স্প্যানিশ কোচ বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণেই তিনি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনাল খেলতে আগ্রহী। তবে তিনি মনে করেন, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড—দুই দলই সমান শক্তিশালী প্রতিপক্ষ।

দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘স্কালোনির সঙ্গে আমার বন্ধুত্বের কারণে আমি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে চাই। তবে ইংল্যান্ডও খুব কঠিন প্রতিপক্ষ। দুই সেমিফাইনালই যেন ফাইনালের আগের ফাইনাল। এবারই প্রথম ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চারটি দল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে।’

ফ্রান্সের বিপক্ষে জয়ের পর নিজের দলের প্রশংসা করতেও ভোলেননি স্প্যানিশ কোচ। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি দলের বিপক্ষে খেলেছি। কিন্তু তারা খেলেছে বিশ্বের সেরা দলের বিপক্ষে। এটাই পার্থক্য। আমার খেলোয়াড়রা তাদের প্রতিশ্রুতি, আত্মত্যাগ ও প্রতিভার মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেছে। আজ তাদের পারফরম্যান্স সত্যিই উপভোগ করার মতো ছিল।’

অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্পেন কোচের প্রশংসা করেছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনিও।

তিনি বলেন, ‘লুইসের জন্য আমি খুবই খুশি। তিনি অসাধারণ একজন মানুষ এবং সব সময় আমাকে সাহায্য করেছেন। তিনি এই সাফল্যের পুরোপুরি যোগ্য। ম্যাচের পর তাকে ফোন করব কি না, সেটা আমাদের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। আমরা জিতলে হয়তো ফোন করব না, হারলে কিছু পরামর্শ চাইতে পারি। তবে আশা করি, ফাইনালের আগে তাকে ফোন করার প্রয়োজন হবে না।’

এখন সবার নজর আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বিতীয় সেমিফাইনালের দিকে। সেই ম্যাচের বিজয়ী দলই বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে।